শিরোনাম :
সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল-নদী খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে জিয়াউর রহমানের কর্ম নিয়ে গবেষণা বাড়াতে হবে:  স্মরণসভায় এলজিআরডি মন্ত্রী মে দিবসে দেশ গঠনে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকার আহ্বান শ্রমজীবীদের প্রতি আফ্রিকার উন্নয়ন ও যৌথ আধুনিকায়নে চীনের দায়িত্বশীল ভূমিকার স্বীকৃতি নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্বে নিরপেক্ষতা ও উন্মুক্ততার বার্তা দিল চীন যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান ও দুই পুরস্কার পেলেন নির্মাতা শামস বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা: ‘BD Intervention 2026’ সম্মেলন উদ্বোধন পথচারী ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন রেখেই হকার পুনর্বাসন করা হচ্ছে: ডিএসসিসি প্রশাসক জাতির ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির চাবিকাঠি আকাশপথে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বুদ্ধ পূর্ণিমায় শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা : এলজিআরডি মন্ত্রী

নির্বাচনপূর্ব প্রেক্ষাপটে পর্যবেক্ষক সংস্থার ভূমিকা ও নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ে। এরই অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৬৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিবন্ধন দিয়েছে। এই পদক্ষেপকে নির্বাচনকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাতে প্রকাশিত কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যাচাই-বাছাই শেষে উপযুক্ত বিবেচনায় এসব সংস্থাকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধনপ্রাপ্ত সংস্থার মধ্যে রয়েছে পাথওয়ে, পল্লীশ্রী, রিসডা-বাংলাদেশ, রশ্মি হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (আরএইচডিও), আইসিডিএস, বাকেরগঞ্জ ফোরাম, একটিভ এইড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন, বকুলতলী মহিলা সংসদ, হোপ, অধিকার, অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি), ডেমোক্রেসিওয়াচ, সেবা ফাউন্ডেশন, ভিআরডিএস, ইউআরপিএসএ, চারু ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান।

ইসি সূত্রে জানা যায়, এবারের নিবন্ধনের জন্য মোট ৩১৮টি সংস্থা আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ৭৩টি সংস্থাকে প্রাথমিকভাবে যোগ্য বিবেচনা করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৬৬টি সংস্থা নিবন্ধন লাভ করে। বাকি ১৬টি সংস্থার বিষয়ে কমিশন দাবি-আপত্তি চেয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন ৯৬টি সংস্থাকে নিবন্ধন দিয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমান কমিশন নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করে পুরনো নিবন্ধন বাতিল করে এবং পুনরায় আবেদন আহ্বান করে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ শেষে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে দাখিল করতে হবে। এতে ভোটের পরিবেশ, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রম, ভোটগ্রহণের পদ্ধতি ও অনিয়ম সংক্রান্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, দেশি পর্যবেক্ষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সহায়তা করবে। এতে ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সব মিলিয়ে, নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি, রাজনৈতিক তৎপরতা ও পর্যবেক্ষক সংস্থার সক্রিয়তা-সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে নির্বাচনী উৎসবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD