জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের কার্যক্রমে গতি বেড়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে স্থায়ী আইনে রূপ দিতে একদিনে ২৪টি বিল পাস করা হয়েছে, যা চলতি অধিবেশনের মোট পাস হওয়া বিলের সংখ্যা ৯১-এ উন্নীত করেছে।
সংসদের অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বিলগুলো উত্থাপন ও পাসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সকালের অধিবেশনেই ১০টি বিল অনুমোদন পাওয়া উল্লেখযোগ্য দিক।
উত্থাপিত অধিকাংশ বিলের ক্ষেত্রে সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় আলোচনা সংক্ষিপ্ত ছিল এবং কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস হয়। এর মধ্যে আর্থিক খাত সংস্কার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়।
সংসদের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে অধিকাংশ বিল অপরিবর্তিতভাবে পাসের সুপারিশ করেছে। কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনী যুক্ত করা হয়েছে এবং কিছু অধ্যাদেশ বাতিল বা নতুনভাবে উপস্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল, ২০২৬’ নিয়ে সংসদে সংক্ষিপ্ত বিতর্ক হয়। বিরোধী পক্ষের জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে খারিজ হওয়ার পর বিলটি পাস করা হয়।
অন্যদিকে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ সংশোধনসহ পাস হয়েছে এবং শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের কল্যাণে প্রণীত বিলটিও অনুমোদন পেয়েছে।
সবশেষে তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল পাসের মাধ্যমে দিনের কার্যসূচি শেষ হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারাবাহিক আইন প্রণয়ন রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামোকে আরও সুসংহত করতে ভূমিকা রাখবে।