শিরোনাম :
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা- তথ্য প্রবাহ ও স্বচ্ছতার ঝুঁকি সৃষ্টি করবে: টিআইবি ইরানে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির বিরুদ্ধে নতুন সাজার রায় ফ্রাঙ্কফুর্টে নারায়ণগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল পিঠা উৎসব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অপরিণামদর্শী পদক্ষেপের ফলে গণভোট নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক : টিআইবি ঢাকা মহানগরের ভোটগ্রহণের আগে-পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টা সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চার দিনের টানা ছুটি: স্বস্তিতে সরকারি কর্মচারীরা নির্বাচন উপলক্ষে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর কঠোর নিরাপত্তা জোরদার: দুর্গম ২৭টি ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন দেশীয় কারখানায় তৈরি এসি বাস: আত্মনির্ভরতার পথে বিআরটিসি জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অ্যাম্বিয়েন্টা ফেয়ার ২০২৬-এ বাংলাদেশের উজ্জ্বল উপস্থিতি

জন্ম থেকে ৫ বছরে গড়ে ওঠে ৯০ শতাংশ মস্তিষ্ক, তাই খাবারেই ভবিষ্যতের ভিত্তি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জন্ম থেকে পাঁচ বছর-এই সময়টাই শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পাঁচ বছরে শিশুর মস্তিষ্কের প্রায় ৯০ শতাংশ বিকাশ সম্পন্ন হয়। প্রতি সেকেন্ডে তৈরি হয় কোটি কোটি স্নায়ু-সংযোগ, যা ভবিষ্যতের শেখা, স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি গড়ে দেয়। বাকি ১০ শতাংশ বিকাশ ধীরগতিতে চলতে থাকে পরবর্তী ২০–২৫ বছর পর্যন্ত। এরপর মস্তিষ্কের গঠনগত বিকাশ প্রায় থেমে যায় বললেই চলে।

এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক ও পুষ্টিকর খাবার শিশুর মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, মনোযোগ, শেখার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। নিচে তুলে ধরা হলো শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক সেরা আটটি খাবার।

১. ডিম

ডিম হলো প্রোটিন ও পুষ্টির চমৎকার উৎস। এতে থাকা কোলিন ও উচ্চমানের প্রোটিন মস্তিষ্কের গঠন ও কোষগুলোর মধ্যে সংযোগ তৈরিতে সহায়তা করে। ডিম দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায়, ফলে পড়াশোনা বা শেখার সময় শিশুর মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

২. মাছ

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মাছ মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ও শেখার ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। ইলিশের পাশাপাশি দেশি ‘তাইল্যা’ মাছ, সামুদ্রিক টুনা ভালো বিকল্প হতে পারে। যেসব শিশু মাছ খেতে চায় না, তাদের জন্য বাদাম, তিসি বীজ ও চিয়া সিড উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩–এর ভালো উৎস।

৩. দুধ ও দই

দুধ ও দইয়ে থাকা প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন বি১২ স্নায়ুতন্ত্র, হাড় ও দাঁতের বিকাশে সহায়ক। এসব উপাদান মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ।

৪. সবুজ শাকসবজি

পালংশাক, ব্রকলি ও অন্যান্য সবুজ শাক আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এগুলো মস্তিষ্কের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং কোষের সুস্থতা বজায় রাখে।

৫. বাদাম, বীজ ও ডাল

আখরোট, তিসি ও চিয়া বীজে আছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, জিঙ্ক ও ভিটামিন ই—যা স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও মস্তিষ্কের কোষ রক্ষা করে। বিভিন্ন ধরনের ডাল প্রোটিন, আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের ভালো উৎস হিসেবে কাজ করে।

৬. ফলমূল

কলা ও বেরি–জাতীয় ফল প্রাকৃতিক চিনি, পটাশিয়াম ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্টে ভরপুর। এসব উপাদান মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে এবং স্মৃতি ও স্নায়ু-সংযোগ উন্নত করে।

৭. অ্যাভোকাডো

সুপারশপে সহজলভ্য এই ফলটিতে আছে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে।

৮. গোটা শস্য ও খিচুড়ি

লাল চাল, লাল আটার রুটি ও ওটসের মতো গোটা শস্য ধীরে ধীরে গ্লুকোজ সরবরাহ করে, ফলে শিশুর মস্তিষ্ক সারাদিন শক্তি ও মনোযোগ পায়। এতে থাকা ভিটামিন বি স্নায়ুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

অন্যদিকে খিচুড়ি শিশুর জন্য একটি আদর্শ সুষম খাবার। চাল ও ডাল একসঙ্গে রান্না হওয়ায় এতে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিডের ভারসাম্য তৈরি হয়। চালের সঙ্গে ডাল, শাকসবজি, আলু, গাজর, মটরশুঁটি, ফুলকপি বা ব্রকলি যোগ করলে খিচুড়ি হয়ে ওঠে শিশুর জন্য একেবারে ‘সুপারফুড’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে বৈচিত্র্য রাখা জরুরি।

সূত্র: হার্ভার্ড হেলথ।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD