শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’

প্রধানমন্ত্রী কী বলেন শুনুন: কাদের

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৮

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেছেন, দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া উচিত না। কেউ ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, মানুষ কষ্ট পাবে। তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিকেলে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কথা বলবেন। তিনি কী বলেন, সেটা শুনুন। গুজবে, অপপ্রচারে কান দেবেন না।

আজ বুধবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপকমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল কথা বলা উচিত। তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বললে কীভাবে হবে? সবাইকে আহ্বান জানাব দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়ার জন্য। কেউ ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, মানুষ কষ্ট পাবে।’

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর এক বক্তব্যের বিষয়ে মন্ত্রী কাদের বলেন, ‘ব্যক্তিগত কোনো বক্তব্য তিনি মন্ত্রী হোক না কেন, এই বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত। সরকারের বক্তব্য আমি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে সরকারের বক্তব্য দিয়েছি। এর বাইরে কে কী বলল, তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াবেন না।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা রাখার পরামর্শ দিয়ে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। একটু ধৈর্য ধরুন। এই আন্দোলন যেন বিদ্বেষ বা বিভেদের (ডিভাইসিভ) রাজনীতির শিকার যেন না হয়। দয়া করে ধৈর্য ধরুন। প্রধানমন্ত্রী বিকেলে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কথা বলবেন, তিনি কী বলবেন, তাঁর মুখ দিয়ে শুনুন।’ তিনি আরও বলেন, ‘গুজবে কান দেবেন না, কোনো অপপ্রচারে কান দেবেন না।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোটা আন্দোলন কারও মুক্তি আন্দোলনে প্রতিষ্ঠা করা যায়, সেই মতলব অনেকের আছে। কোটা আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে তাদেরও একটা দুরভিসন্ধি থাকতে পারে। কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের শিকার যেন ছাত্ররা না হন, সে পরামর্শও দেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন তাঁদের আন্দোলনে থাকেন। কোনো অশুভ রাজনীতির কালো ছায়া যেন তাঁদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে না পারে। ওই সব রাজনীতিকের হাতে আন্দোলন চলে গেলে আন্দোলনকারীরা ও দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান মো. রশিদুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় উপকমিটির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD