শিরোনাম :
জার্মানিতে একদিনে পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: দাবানল, কৃষি সংকট, জ্বালানির দাম, গোয়েন্দা সংস্কার ও ফ্রাঙ্কফুর্টে ধর্মঘট পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফরে ক্ষুব্ধ টোকিও, কড়া প্রতিবাদ জাপানের সবুজ উন্নয়নের পথে চীন, প্রকৃতি সুরক্ষায় জোর দিচ্ছেন সি চিন পিং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত

জার্মানিতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্তে বিক্ষোভ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৮

ফাতেমা রহমান রুমা: বিশ্বে কোনো কোনো দেশ যখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তুলতে চাচ্ছে, সেই মুহূর্তে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দেশ জার্মানি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরে আসছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তুলতে রামপালে তোরজোড় কাজ চালিয়ে চাচ্ছে।

এদিকে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আস্তে আস্তে বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানির ‘কোল কমিশন’৷ এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বুধবার (২৪ অক্টোবর) প্রায় ২০ হাজার খনিশ্রমিক রাস্তায় নেমে এসেছেন৷ কাজের সুরক্ষা দাবি করেছেন তাঁরা৷

জার্মানির কোলন শহরের কাছে বার্ঘাইমে এই প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন শ্রমিকরা৷ ‘‘ভালো কাজ ছাড়া ভালো পরিবেশ হয় না! আমরা আমাদের কর্মের সুরক্ষা চাই৷” এই ব্যানার নিয়ে ট্রেড ইউনিয়নগুলোর আয়োজনে এই সমাবেশ হয়৷

ট্রেড ইউনিয়ন আইজি বিসিই’র প্রেসিডেন্ট মিখাইল ফাসিলিয়াডিস নিজেই গত গ্রীষ্ম থেকে কয়লা কমিশনের সদস্য ছিলেন৷ তিনি অভিযোগ করেন, কমিশন হামবাখ বন রক্ষায় আন্দোলনরত পরিবেশবাদীদের প্রতি যতটা সংবেদনশীলতা দেখিয়েছে ততটা এই খনি শ্রমিকদের প্রতি দেখায়নি৷

স্থানীয় একটি পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘বন সুরক্ষার আন্দোলনকারীদের প্রতি সর্বোচ্চ সহমর্মিতা দেখানো হয়েছে৷ কিন্তু শ্রমিকদের সুরক্ষার প্রতি অবহেলা করা হয়েছে৷”

তিনি বলেন, ‘‘জার্মানিতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত৷”

আগামী কয়েক সপ্তাহে কমিশন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো কীভাবে আস্তে আস্তে বন্ধ করা হবে তার পরিকল্পনা তৈরি করবে৷ এতে শুধু খনি শ্রমিক নন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িতরাও চাকরি হারাবেন৷

বন্ধ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনে এ বছরের শেষ নাগাদ প্রায় দেড় হাজার কোটি ইউরো খরচের হিসেব দেয়া হয়েছে৷

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD