শিরোনাম :
‘ক্ষমতার চেয়ার নয়, জনগণের সেবাই হোক দায়িত্ব’—ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইবার অপরাধ দমনে প্রতিটি মহানগরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাব স্থাপনের ঘোষণা পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকৃতিভিত্তিক উদ্যোগেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন অর্থায়নের ঘোষণা দিল অস্ট্রেলিয়া নিয়মিত অভিবাসনের সুযোগ বাড়াতে আইওএমের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিমান খাতের আধুনিকায়ন ও পর্যটন উন্নয়নে আইএটিএর সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু, কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যৌতুক ও মাদক নির্মূলে পরিবার থেকেই পরিবর্তনের ডাক ভূমি প্রতিমন্ত্রীর প্রতিবন্ধী তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা বাড়াতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জার্মান- বাংলা ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে নাগরিকদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য দেশ গড়তে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; বরং প্রতিটি নাগরিককে নিজের দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যবহৃত বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেললে এবং জনপরিসর পরিচ্ছন্ন রাখলে ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে আবর্জনামুক্ত করা সম্ভব হবে।সোমবার ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন শহর, উপজেলা এবং গ্রামীণ জনপদে বর্তমানে প্লাস্টিকের বোতল, টিস্যু, খাবারের প্যাকেটসহ নানা ধরনের বর্জ্য ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কয়েক দশক আগের তুলনায় এ পরিস্থিতি অনেক বেশি উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, এই প্রবণতা শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, মানুষের চলাচল ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, মানুষ নিজের ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে যতটা সচেতন, একইভাবে দেশের রাস্তাঘাট, পার্ক, জলাশয় ও উন্মুক্ত স্থানগুলোকেও নিজেদের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রতিদিন রাস্তায় চলাচল করেন। বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত স্থানে আবর্জনা ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক পুকুর ও জলাশয়ে আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে। অথচ এসব স্থান একসময় মানুষের অবসর কাটানোর অন্যতম জায়গা ছিল। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সামাজিক দায়িত্ববোধ ও জনসচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পার্কে মানুষ পরিবার নিয়ে বেড়াতে যান। কিন্তু অনেকেই খাবারের মোড়ক, প্লাস্টিক কিংবা অন্যান্য বর্জ্য সেখানে ফেলে রেখে আসেন। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত পরিষ্কার করলেও দর্শনার্থীদের অসচেতন আচরণের কারণে পরিবেশ দ্রুত আবার নোংরা হয়ে যায়। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজের ব্যবহৃত বর্জ্য নিজ দায়িত্বে নির্ধারিত স্থানে ফেলা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই যদি সামান্য সচেতন হন এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে দেশের পরিবেশ আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। তিনি দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে এ উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সূত্র: ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওবার্তা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD