শিরোনাম :
সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা মাদক কেনার টাকা জোগাড়ে ২০ মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রির অভিযোগ সিসিটিভি ফুটেজের সূত্রে অপ্রতিম হত্যা তদন্তে অগ্রগতি, উদ্ধার আইফোন দেশের ৩৭ জেলায় বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

মরক্কো-স্পেন সীমান্তে অভিবাসীদের ঢল, প্রাণ গেল ৫৭ জনের

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

স্পেনের উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্বায়ত্তশাসিত এনক্লেভ শহর সেউতায় মরক্কো থেকে প্রবেশের চেষ্টাকালে অন্তত ৫৭ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। সীমান্তে ব্যাপক অনুপ্রবেশের ঘটনায় স্পেন নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং ইউরোপজুড়ে নতুন করে অভিবাসন সংকট নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টায় মরক্কো থেকে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

সিভিল গার্ড কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিত্বকারী স্থানীয় সংগঠনের প্রধান রশিদ সবিহী জানান, নিহতদের মধ্যে কয়েকজন সমুদ্রে ডুবে মারা যান। বাকিরা তারাজাল সৈকতের কাছে সীমান্তের বেড়া অতিক্রমের সময় পদদলিত হয়ে প্রাণ হারান।

প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ঘটনাটিকে স্পেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে মানবপাচারকারী চক্রকে দায়ী করেছেন।

স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৫০ হাজারের বেশি মানুষ সীমান্ত অতিক্রমের পর শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৪৮ হাজার ৩০০ জনকে মরক্কোতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকি ব্যক্তিদেরও পর্যায়ক্রমে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেউতায় অতিরিক্ত সেনা, পুলিশ, ডুবুরি দল, ড্রোন ও টহল নৌযান মোতায়েন করেছে স্পেন সরকার।

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন ঘটনাটিকে ‘অনভিপ্রেত’ বলে মন্তব্য করেছেন। ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক সাময়িকভাবে স্পেনকে শেনজেন অঞ্চলের বাইরে রাখার দাবি জানিয়েছে। একই সময়ে ফ্রান্সও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে এই সংকটকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির সঙ্গে তুলনা করে রাজনৈতিক মন্তব্য করেন। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সেউতায় প্রবেশ করা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কেউ ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়েনি।

সূত্র: এনডিটিভি

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD