শিরোনাম :
মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর গবেষণার আহ্বান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিবের সংঘাতকবলিত নারী-শিশুর সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ COP31 সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রস্তুতি জোরদার, বনে প্রতিনিধিদলের সমন্বয় সভা প্রধান প্রধান রুটে চালু হবে বৈদ্যুতিক ট্রেন, রেল উন্নয়নে ২০৪৫ সাল পর্যন্ত ২৪ প্রকল্প গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর ঢাকা-বার্লিন সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা দেখছে জার্মানি ব্রেমেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে ইতিহাস গড়লেন তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বর্তমান সরকার দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞান ভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করবে:বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকল্পের স্কিমগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে ও যথাসময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে বিজিবি–বিএসএফ টানাপোড়েনে সীমান্তে আটকা নারী ও শিশু, চরম দুর্ভোগে পরিবার টি-টোয়েন্টিতে নতুন লড়াই, ওয়ানডে হারের ধাক্কা কাটিয়ে ফিরতে চায় অস্ট্রেলিয়া

মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর গবেষণার আহ্বান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিবের

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

গবেষণার ফলাফল এমন হওয়া উচিত, যা সরাসরি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।

বুধবার (১৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘লাগসই প্রযুক্তির মানোন্নয়নে চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সচিব বলেন, গবেষণার ফলাফলকে অবশ্যই ইম্প্যাক্টফুল বা বাস্তবমুখী হতে হবে। শুধু গবেষণাপত্র বা প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে তার প্রকৃত মূল্যায়ন হয় না। বরং গবেষণার মাধ্যমে এমন সমাধান বেরিয়ে আসা প্রয়োজন, যা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং মানুষের উপকারে আসে।

তিনি বলেন, গবেষণালব্ধ ফলাফলকে প্রোটোটাইপ বা নমুনা আকারে শিল্পখাতে পৌঁছে দিতে হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তা পাইলটিংয়ের মাধ্যমে পণ্য বা সেবায় রূপান্তর করে বাজারজাত করতে পারে। এর মাধ্যমে গবেষণার বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত হবে এবং সমাজে এর ইতিবাচক প্রভাব দৃশ্যমান হবে।

মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, লাগসই প্রযুক্তি বলতে কম খরচের প্রযুক্তিকে বোঝায় না; বরং এমন প্রযুক্তিকে বোঝায়, যা সময়োপযোগী এবং দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাঁর ভাষায়, প্রযুক্তি বাংলাদেশের উপযোগী হওয়া উচিত, বাংলাদেশকে প্রযুক্তির উপযোগী হতে বাধ্য করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, যেসব উদ্ভাবন বা গবেষণার বাস্তব কোনো প্রভাব নেই এবং যা মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখে না, সেসব গবেষণা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসা প্রয়োজন।

সচিবের মতে, লাগসই প্রযুক্তি এমন হতে হবে যা মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে, সহজলভ্য হবে এবং প্রয়োজনের সময় ও স্থানে পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে তা পরিবেশগত ও অর্থনৈতিকভাবে টেকসই হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তি পাইলট প্রকল্প থেকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণযোগ্য এবং সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য কল্যাণকর হতে হবে।

সেমিনারে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির (এনআইবি) মহাপরিচালক ড. মো. ছগীর আহমেদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান, বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমদ এবং যুগ্মসচিব শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ আলী ফারুকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD