শিরোনাম :
বর্তমান সরকার দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞান ভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করবে:বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকল্পের স্কিমগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে ও যথাসময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে বিজিবি–বিএসএফ টানাপোড়েনে সীমান্তে আটকা নারী ও শিশু, চরম দুর্ভোগে পরিবার টি-টোয়েন্টিতে নতুন লড়াই, ওয়ানডে হারের ধাক্কা কাটিয়ে ফিরতে চায় অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে ড্রয়ের পর কেপ ভার্দের জার্সি নিয়ে বাংলাদেশের গর্ব অভিবাসন ও জনসংখ্যা প্রবণতা পর্যালোচনায় ভারতের বিশেষ প্যানেল ট্রাম্পের দাবি, ডিজিটাল স্বাক্ষরে সম্পন্ন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নয়া নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ও সম্প্রীতির বার্তা লেবাননের দখলকৃত অঞ্চল না ছাড়ার ঘোষণা নেতানিয়াহুর, উদ্বেগ প্রকাশ তেহরানের রাঙামাটিতে নানা কর্মসূচিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

অভিবাসন ও জনসংখ্যা প্রবণতা পর্যালোচনায় ভারতের বিশেষ প্যানেল

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

ভারতের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চল, বড় শহর ও শিল্পাঞ্চলে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের কারণ ও প্রভাব বিশ্লেষণের লক্ষ্যে একটি বিশেষ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকরের নেতৃত্বে গঠিত এই প্যানেল আগামী এক বছরে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মে মাসে গঠিত এই কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে অভিবাসনের ধারা, জনসংখ্যা বৃদ্ধির বৈশিষ্ট্য এবং সেসব পরিবর্তনের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রভাব মূল্যায়ন করা।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে, কিছু অঞ্চলে জনসংখ্যার দ্রুত পরিবর্তন ভবিষ্যতে সামাজিক সম্প্রীতি, প্রশাসনিক ভারসাম্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে। এ কারণেই বিষয়টিকে কেবল পরিসংখ্যানগত পরিবর্তন হিসেবে না দেখে বৃহত্তর কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিতে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

কমিটির আওতায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তসংলগ্ন এলাকাগুলো। অতীতে আসাম, পশ্চিমবঙ্গসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্যে অভিবাসন ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

সীমান্ত এলাকার পাশাপাশি দ্রুত বর্ধনশীল মহানগর ও শিল্পাঞ্চলগুলোও এই অনুসন্ধানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রধান নগরগুলোতে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসীর আগমন ঘটে, যা নগর অবকাঠামো, কর্মসংস্থান ও জনসেবার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্যানেল মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সরকারি রেকর্ড, জনসংখ্যা তথ্য, ভোটার তালিকা ও অন্যান্য পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করবে। এ কাজে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, রাজ্য সরকার, নিরাপত্তা সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, প্রশাসনিক নজরদারি বৃদ্ধি এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ দেখা যেতে পারে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD