শিরোনাম :
প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন উদ্যোগ, সরকারি বিদ্যালয়ে গড়ে উঠবে ম্যাথ ল্যাব তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত অনুমোদনে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী শিশু নন্দিনী হত্যা মামলায় ন্যায়বিচারের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর দুর্যোগ প্রস্তুতি শক্তিশালী করতে আইআরসির সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বে আগ্রহ বাংলাদেশের জাতিসংঘে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো উদ্যোগ নিতে বাংলাদেশের আহ্বান  পার্বত্য অঞ্চলের উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতীক: পার্বত্য সচিব বিশ্বকাপের বল পাকিস্তানে, জার্সিতে বাংলাদেশের ছাপ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর গবেষণার আহ্বান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিবের সংঘাতকবলিত নারী-শিশুর সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ COP31 সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রস্তুতি জোরদার, বনে প্রতিনিধিদলের সমন্বয় সভা

সম্পাদকীয়: একুশের পথ ধরে-ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় অগ্রযাত্রার নতুন প্রত্যয়

সম্পাদকীয়:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সম্পাদকীয়:ফেব্রুয়ারির প্রভাত মানেই আমাদের অহংকার ও আত্মমর্যাদার মাস। ১৯৫২ সালের এই মাসেই মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় অকাতরে প্রাণ দিয়েছিলেন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ অগণিত ভাষা-সৈনিক। তাদের আত্মত্যাগেই আমরা পেয়েছি বাংলা ভাষার মর্যাদা, পেয়েছি জাতিসত্তার পরিচয়। আজ সেই একুশের চেতনা আবারও নতুন আলোয় উদ্ভাসিত হলো প্রধানমন্ত্রীর হাতে একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

মহান একুশে পদক শুধু একটি সম্মাননা নয়; এটি দেশের সাহিত্য, গবেষণা, সংস্কৃতি, শিল্প, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে এগিয়ে নেওয়া মানুষের জন্য রাষ্ট্রের কৃতজ্ঞতার প্রতীক। আজকের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে শ্রদ্ধাভরে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্মানিত করলেন, তা ভাষা আন্দোলনের অনন্ত মূল্যবোধকে আরও দৃঢ়ভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।

এর পাশাপাশি আজ উদ্বোধন হলো অমর একুশের বইমেলা—যে মেলা শুধু বইয়ের সমাবেশ নয়, আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ। বাংলা একাডেমি চত্বরে জমে ওঠা এই সাহিত্য উৎসব প্রতিবছরই বাঙালির চিরায়ত সৃজনশীল মননকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। বইমেলা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয়, ভাষার বিকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হলো সাহিত্য—এবং পাঠক ও লেখকের মধ্যকার চিরন্তন সেতুবন্ধন।

এ বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারও প্রদান করা হয়েছে, যা জাতীয় সাহিত্যচর্চাকে আরও সমুজ্জ্বল করবে। পুরস্কারপ্রাপ্তদের অবদানে ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ যেমন সমৃদ্ধ হবে, তেমনই নতুন প্রজন্মের লেখকদের সামনে উজ্জ্বল অনুপ্রেরণার পথও খুলে দেবে।

একুশ আমাদের শেখায় আত্মত্যাগ, সত্যের প্রতি অবিচলতা আর জাতীয় মূল্যবোধ রক্ষার শক্তি। তাই শুধু শোক নয়—এটি আমাদের গৌরবের প্রত্যয়ও। আজকের এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলো ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক চেতনাকে আরও জীবন্ত করে তুলেছে এবং মনে করিয়ে দিয়েছে—আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যকে এগিয়ে নেওয়া সবার দায়িত্ব।

মহান একুশের চেতনাকে ধারণ করে আমরা যেন এগিয়ে যেতে পারি ন্যায়, মানবতা ও জ্ঞানচর্চার পথে—এটাই হোক আজকের অঙ্গীকার।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD