শিরোনাম :
পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু, কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যৌতুক ও মাদক নির্মূলে পরিবার থেকেই পরিবর্তনের ডাক ভূমি প্রতিমন্ত্রীর প্রতিবন্ধী তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা বাড়াতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ,অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের দাবি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের গ্রুপে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান, ড্রয়ে স্বস্তির আভাস ‘এ মুহূর্তে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই’-পেট্রোবাংলা বাগেরহাটে নির্মাণাধীন সেফটি ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান, বিপুল সরঞ্জামসহ আটক ৪ ধর্ষণ ও আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ায় উদ্বেগ, জুলাইয়ের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ

লোকসানে চলা স্থলবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে: নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা

দিনাজপুর প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫

যেসব স্থলবন্দর দিয়ে তেমন আমদানি-রফতানি হয় না, অথচ বন্দর হিসেবে চালু রেখে লোকসান গুনতে হচ্ছে, সেসব বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ৪ টি বন্দর বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে।

শনিবার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মোট ২৪টি স্থলবন্দরের মধ্যে চারটি ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। বাকি ২০টির মধ্যে ১২ থেকে ১৪টির বেশি কার্যকর নয়। যে বন্দরগুলোতে এক পয়সাও আয় নেই, সারা বছর আয় হয় মাত্র ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা অথচ খরচ এর চেয়ে অনেক বেশি সেগুলোকে আধুনিকায়ন করে কী লাভ?

তিনি বলেন, যে কার্যকর ও বড় বন্দরগুলো আছে, সেগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। বন্দরের কিছু অব্যবস্থার কথা শুনে তিনি চেয়ারম্যানকে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের কিছু নদী বন্দর রয়েছে এগুলোকেও আমরা বন্দরের ন্যায় বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য দেওয়ার চেষ্টা করছি।

এর আগে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন, হিলি বন্দরের সভা কক্ষে কাস্টমস বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় ব্যবসায়ীরা বন্দরের রাস্তাঘাট সংস্কার ওয়্যারহাউজ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বন্দরের যেসব অনিয়ম ও পণ্য আমদানিতে জটিলতা রয়েছে সেগুলো তুলে ধরেন ও এর সমাধান চান উপদেষ্টার কাছে। পরে তিনি বন্দর ও কাস্টমসের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি হিলি সীমান্তের চেকপোস্ট গেট এলাকা পরিদর্শন করেন।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, কাস্টমসের রংপুর বিভাগীয় কমিশনার অরুণ কুমার, হিলি কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার, বাংলাহিলি কাস্টমস সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম,হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক, ব্যবসায়ী মো. মুশফিকুর রহমান চৌধুরী, এস এম রেজা বিপুল, নুর ইসলামসহ অনেকে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD