শিরোনাম :
২০২৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বসছে প্রথম নারী ক্লাব বিশ্বকাপ, লড়বে ১৯ দল দুই বছরে ৪ বার অবমাননার শিকার বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য:ক্ষুব্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধারা, সংস্কার কার্যক্রমে স্থবিরতা বঙ্গোপসাগরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন লঘুচাপের শঙ্কা, পাঁচ দিন পর বৃষ্টির আভাস মোংলা বন্দরকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের কেন্দ্র বানানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর; সুন্দরবন উপকূল পরিদর্শনে দিনভর তৎপরতা আইনের শাসন সূচকে বাংলাদেশের দুই ধাপ অগ্রগতি, তবু মৌলিক অধিকার ও দেওয়ানি বিচারে বড় ধাক্কা ৩১ কোটি বই ছাপার মহাযজ্ঞ: নতুন শিক্ষাক্রম ও ৪ বইয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় এনসিটিবি প্রথম ফুটবলার হিসেবে স্পেনের ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ সম্মাননা নিচ্ছেন মেসি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় সম্মতি পুতিনের ভবিষ্যতে বিক্ষোভ না করার মুচলেকায় ৭ দিন পর মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গে চীন-রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মেলন

যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক কমানোতে স্বস্তি: পোশাক খাত বাঁচাতে কূটনৈতিক সফলতা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্কহার ২০ শতাংশ নির্ধারণ করাকে ‘স্বস্তির বার্তা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, সম্ভাব্য ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক এড়ানো বাংলাদেশি রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য বড় সাফল্য।

বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে ৭০টি দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে সর্বোচ্চ ৪১ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেন। তবে বাংলাদেশি পণ্যের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ শুল্ক হ্রাস করে তা ২০ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়।

এই প্রেক্ষাপটে দেওয়া এক বিবৃতিতে ড. খলিলুর রহমান বলেন, “আমরা শুরু থেকেই নিজস্ব সক্ষমতা ও জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিটি আলোচনা পরিচালনা করেছি। আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল পোশাক খাতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যা একদিকে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করবে, অন্যদিকে মার্কিন কৃষি রাজ্যগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্কও মজবুত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “২০ শতাংশ শুল্ক হার আমাদের জন্য কেবল ঝুঁকি হ্রাস নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল ভোক্তা বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখারও সুযোগ এনে দিয়েছে।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সময়োপযোগী কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং দ্বিপক্ষীয় বোঝাপড়ার মাধ্যমেই এই ছাড় আদায় সম্ভব হয়েছে, যা ভবিষ্যত রপ্তানি কৌশলের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হতে পারে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD