শিরোনাম :
২০২৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বসছে প্রথম নারী ক্লাব বিশ্বকাপ, লড়বে ১৯ দল দুই বছরে ৪ বার অবমাননার শিকার বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য:ক্ষুব্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধারা, সংস্কার কার্যক্রমে স্থবিরতা বঙ্গোপসাগরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন লঘুচাপের শঙ্কা, পাঁচ দিন পর বৃষ্টির আভাস মোংলা বন্দরকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের কেন্দ্র বানানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর; সুন্দরবন উপকূল পরিদর্শনে দিনভর তৎপরতা আইনের শাসন সূচকে বাংলাদেশের দুই ধাপ অগ্রগতি, তবু মৌলিক অধিকার ও দেওয়ানি বিচারে বড় ধাক্কা ৩১ কোটি বই ছাপার মহাযজ্ঞ: নতুন শিক্ষাক্রম ও ৪ বইয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় এনসিটিবি প্রথম ফুটবলার হিসেবে স্পেনের ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ সম্মাননা নিচ্ছেন মেসি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় সম্মতি পুতিনের ভবিষ্যতে বিক্ষোভ না করার মুচলেকায় ৭ দিন পর মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গে চীন-রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মেলন

ক্রেতা সংকটে কমেছে দেশি ফলের দাম

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫

রমজানে বিদেশি ফলের পাশাপাশি নানান জাতের দেশি ফলেরও চাহিদা বাড়ে। ফলে দামও বৃদ্ধি পায়। তবে ঈদের পর কিছুটা কমেছে দেশি ফলের দাম।

শনিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর কাঁচাবাজার, মিরপুর- ১০ ফলপট্টি, কচুক্ষেত বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া যায়। এসব বাজারে মৌসুমি ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক, তবে ক্রেতা কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ঢাকার বাজারে আজ তরমুজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে মাঝারি আকারের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। এছাড়া বড় আকারের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়।

মিরপুর- ১ কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী আবদুস সাত্তার জাগো নিউজকে বলেন, ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক। তবে ক্রেতা কম থাকায় ফলের চাহিদাও কম। এ কারণে দাম কমেছে।

তিনি জানান, রমজানে কলার দাম হালিপ্রতি ৬০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। তবে আজ সবরি কলা ৩০ টাকা প্রতি হালি, চিনি চম্পা কলা ২০ টাকা প্রতি হালি ও সাগর কলা ৫০ টাকা প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাঙ্গি প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের শুরুতে যা ১০০ থেকে ১২০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হয়।

রমজানে পেয়ারার দাম বাড়লেও ঈদের পর দাম কমেছে। রমজানের শুরুতে বাজারে পেয়ারা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি পেয়ারা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

জুবায়ের নামের এক ক্রেতা বলেন, রমজানের সময় হাফ কেজি পেয়ারা নিয়েছিলাম ৬০ টাকায়। এখন এই দামে এক কেজি পাওয়া যাচ্ছে।

বাজারে ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০ টাকার মধ্যে মিলছে বড় আকারের আনারস। একই রকম দাম বেলের। তবে বেশ বড় আকারের বেল বিক্রি হচ্ছে বাজারভেদে ১০০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।

সাধারণত সারা বছরই ডাবের চাহিদা থাকে। পাশাপাশি এখন ধীরে ধীরে বাড়ছে গরমের তীব্রতা। ফলে ডাবের দাম বেশ চড়া। ছোট আকারের ডাব ১৫০ টাকা, মাঝারি ১৮০ টাকা এবং বড় আকারের ডাব ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাকা পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD