শিরোনাম :
বুদ্ধ পূর্ণিমায় শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা : এলজিআরডি মন্ত্রী সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৫ কোটি ৬২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ আইস ও অন্যান্য মালামাল জব্দ গত ১৭ বছর বাংলাদেশের শ্রমিকেরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল: চট্টগ্রামে মহান মে দিবসের আলোচনায় ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা অসুস্থ হজযাত্রীর খোঁজ নিতে রাতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ জাপানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতায় নতুন গতি আনতে চায় বেইজিং ও ক্যানবেরা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগে বাড়ছে আস্থা এআই প্রযুক্তিতে শিল্প উৎপাদন ও উদ্ভাবনে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি ব্রিটেনে সন্ত্রাস হুমকির মাত্রা ‘গুরুতর’, বাড়ানো হলো নিরাপত্তা ব্যবস্থা

কচু শাকের যত স্বাস্থ্য উপকারিতা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৮
বাংলাদেশে শাক হিসেবে কচু শাক বেশ জনপ্রিয়।কচুশাক অনেক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ শাক। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা প্রচুর কচু শাক খেতে পারেন। কারণ কচুতে আছে অনেক আঁশ। যা খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে।

কঁচু শাক রয়েছে মূল্যবান এই উপাদান –

  • ভিটামিন -এ
  • ভিটামিন -সি
  • লৌহ
  • ক্যালসিয়াম

চোখের জ্যোতির জন্য কচু শাকের উপকারিতা অনন্য।
কচু একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিকর সবজি। এ দেশে কচু তেমন সমাদৃত নয় এবং অনেকটা অবহেলার দৃষ্টিতে দেখা হয়। অথচ কচু শাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এ শাক দুই প্রকার যথা :

  • সবুজ কচু শাক ও
  • কালো কচু শাক।

খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম সবুজ ও কালো কচু শাকে যথাক্রমে ১০২৭৮ ও ১২০০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন রয়েছে। এ ক্যারোটিন থেকেই আমরা ভিটামিন ‘এ’ পেয়ে থাকি। এ ছাড়া প্রতি ১০০ গ্রাম সবুজ কচু শাক থেকে ৩.৯ গ্রাম প্রোটিন, ৬.৮ গ্রাম শর্করা, ১.৫ গ্রাম স্নেহ বা চর্বি, ২২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১০ মিলিগ্রাম লৌহ, ০.২২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১ (থায়ামিন), ০.২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ (রাইবোফেবিন), ১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ ও ৫৬ কিলো ক্যালোরি খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়।

সবুজ কচু শাকের চেয়ে কালো কচু শাক অনেক বেশি পুষ্টিকর। প্রতি ১০০ গ্রাম কালো কচু শাকে ৬.৮ গ্রাম প্রোটিন, ৮.১ গ্রাম শর্করা, ২.০ গ্রাম চর্বি, ৪৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৩৮.৭ মিলিগ্রাম লৌহ, ০.০৬ মিলিগ্রাম ভিটামিনি বি-১ (থায়ামিন), ০.৪৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ (রাইবোফেবিন), ৬৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ ও ৭৭ কিলোক্যালোরি খাদ্যশক্তি রয়েছে। দেহের পুষ্টি সাধনে এসব পুষ্টি উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

কচু শাকে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকায় এ শাকের লৌহ দেহ কর্তৃক সহজে আত্তীকরণ হয়। প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেয়া ছাড়াও প্রাচীনকাল থেকে কচুকে বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। মুখী ও পানিকচুর ডগা দেহের ত রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া জ্বরের রোগীকে শরীরের তাপমাত্রা কমানোর জন্য দুধকচু খাওয়ানো হয়। ওলকচুর রস, উচ্চরক্তচাপের রোগীকে প্রতিষেধক হিসেবে খাওয়ানো হয়। আবার মান কচুর ডগা ও পাতা বাতের রোগীকে খাওয়ানোর প্রথা এ দেশের ঘরে ঘরে প্রচলিত রয়েছে। কচু শাকে পর্যাপ্ত আঁশ থাকায় এটি দেহের হজমের কাজে সহায়তা করে।

আঁশসমৃদ্ধ খাবার
শাক : কচু শাক, মিষ্টিআলুর শাক, কলমি শাক, পালং শাক, পুদিনা পাতা, পুঁই শাক, মুলা শাক, ডাঁটা শাক, লাউ ও মিষ্টি কুমড়ার আগা-ডগা শাক।
সবজি : অপেক্ষাকৃত বেশি আঁশযুক্ত সবজির মধ্যে রয়েছে সজিনা, কলার মোচা, ঢেঁড়স, ডাঁটা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপি, শিম, পটল, কচু, বেগুন, বরবটি, মটরশুটি।
ফল : আঁশজাতীয় ফলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আঁশ থাকে বেল, পেয়ারা, কতবেল, আমড়া, আতা, নারিকেল ও কালোজাম। এছাড়া গাব, কামরাঙা, পাকা টমেটো, পাকা আম, পাকা কাঁঠাল, আপেল ও আমলকীর মধ্যে মাঝারি পরিমাণে আঁশ থাকে।
ডাল : মটর, মুগ, ছোলা ও খেসারি ডালে বেশি আঁশ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে শাক হিসেবে কচু শাক বেশ জনপ্রিয়। আয়রনসমৃদ্ধ বলে এর সমাদরও বেশি। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে সব ডাক্তাররাই কচু শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন।
কচু শাকে আছে প্রোটিন, চর্বি, ক্যালসিয়াম, শর্করা, আয়রন, খাদ্যশক্তি, ভিটামিন এ, বি৬ ও সি। সাধারণ কচুর ডগা এবং কালো রঙয়ের কচু শাকে আয়রন থাকে প্রচুর পরিমাণে। রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগীদের জন্য কচু শাক খাওয়া একরকম আবশ্যক।
যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা প্রচুর কচু শাক খেতে পারেন। কারণ কচুতে আছে অনেক আঁশ। যা খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে।
কচু শাক সারা দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বজায় রাখতে  জুড়ি নেই। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে এমনিতেই শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়। সেই সরবরাহ সচল রাখতে কচু শাক অনেক বেশি কার্যকর। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কচু শাক দারূণ ভূমিকা রাখে। এককভাবে কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রোগের জন্য এই শাক কাজ না করলেও অন্যভাবে পুরো শরীরেরই উপকার করে। মাঝে মাঝে সামান্য গলা চুলকানো ছাড়া কচু শাকের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। শাকে যতোটুকু ক্ষতিকর অক্সালিক অ্যাসিড থাকে তা এক রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলেই চলে যায়। তাই কচু শাক খান নিশ্চিন্তে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD