শিরোনাম :
সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা মাদক কেনার টাকা জোগাড়ে ২০ মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রির অভিযোগ সিসিটিভি ফুটেজের সূত্রে অপ্রতিম হত্যা তদন্তে অগ্রগতি, উদ্ধার আইফোন দেশের ৩৭ জেলায় বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

পেট্রাপোলে অন্তঃসত্ত্বা বাংলাদেশি নারীকে হেনস্থার অভিযোগ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৮
  • ডেস্ক রিপোর্ট

স্বামী ভারতীয়, আর তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তাই পাসপোর্ট পরীক্ষার নামে অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে টানা ৬ ঘণ্টা গরমে দাঁড় করিয়ে হেনস্থার অভিযোগ উঠল ভারতের পেট্রাপোল অভিবাসন দপ্তরের এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে। হেনস্থার জেরে মহিলা রক্তক্ষরণ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

স্থানীয় পুলিশ কর্তাদের সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতার এক সরকারি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ওই পথ দিয়ে যাওয়া অন্য যাত্রীরা।

পুলিশ জানিয়েছে, জন্ম সূত্রে বাংলাদেশি ঢাকার অর্পিতা পাল দাশগুপ্ত এখন কলকাতার বাসিন্দা। বছরখানেক আগে কলকাতার বালিগঞ্জের আনন্দ দাশগুপ্তের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এখন তিনি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সম্প্রতি তিনি স্বামীর সঙ্গে বৈধ পাসপোর্টে ভিসা নিয়ে ঢাকায় বাপের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। শনিবার তারা ভারতে ফিরছিলেন। এদিন সকাল ৬টা নাগাদ বেনাপোল সীমান্তের কাজ মিটিয়ে ৭টা নাগাদ তারা পেট্রাপোল সীমান্তে এসে ভারতের অভিবাসন দপ্তরে ঢোকেন।

স্বপন দফাদার নামে অভিবাসন দপ্তরের এক আধিকারিক তাদের পাসপোর্ট পরীক্ষা করছিলেন। তিনি দেখেন আনন্দবাবুর পাসপোর্ট ভারতীয়, আর তার স্ত্রী অর্পিতারটি বাংলাদেশের। অভিযোগ, এর পর তিনি অর্পিতাকে আটকে রেখে বিভিন্ন প্রশ্ন করে হেনস্থা করেন। এমনকি ওই আধিকারিক অর্পিতার পাসপোর্ট আটকে রেখে ঘুষ নেয়ারও চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ।

আনন্দবাবু তার এবং স্ত্রীর সমস্ত বৈধ কাগজপত্র দেখানোয় হেনস্থা কমে। কিন্তু তার স্ত্রীকে অকারণে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। প্রায় ৬ ঘণ্টা এভাবে রোদে দাঁড় করিয়ে রাখায় অর্পিতা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অন্তঃসত্ত্বা অর্পিতার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। সাহায্যের জন্য আনন্দ পাশেই পেট্রাপোল থানার দ্বারস্থ হন। থানার ওসির সহযোগিতায় অসুস্থ অর্পিতাকে চিকিৎসার জন্য সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের গাড়িতে বনগাঁ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা তাকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন। এরপর তাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়।

গোটা ঘটনা জানিয়ে স্বপন দফাদারের বিরুদ্ধে পেট্রাপোল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আনন্দ দাশগুপ্ত।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD