শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’

সু চি ও সেনাপ্রধান দ্বন্দ্ব নিরসনে মধ্যস্থতা করছে জাতিসংঘ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন, ২০১৮

জার্মানবাংলা২৪ ডটকম ডেস্ক: মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি ও দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং হ্লায়াং-এর মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনে জাতিসংঘ মধ্যস্থতা করছে বলে আভাস পাওয়া গেছে। সম্প্রতি, থাই সংবাদমাধ্যম ব্যাংকক পোস্টে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এমন আভাস দিয়েছেন সাবেক বিবিসি সাংবাদিক ল্যারি জ্যাগান। তিনি দাবি করেছেন, সম্প্রতি জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার তার মিয়ানমার সফরে অনিচ্ছাকৃতভাবেই সু চি ও হ্লায়াং-এর মধ্যে ‘দ্বন্দ্ব নিরসনে’ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছেন।

গত ২৩ জুন ব্যাংকক পোস্টে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির সাবেক বার্তা সম্পাদক ল্যারি জ্যাগানের একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রাখাইন পরিস্থিতি সামলানো এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রশ্নে ৮ জুন অনুষ্ঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে অং সান সু চি ও মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। কয়েকটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারকে অভ্যুত্থানের হুমকি দিয়েছেন মিন অং হ্লায়াং। দাবি করা হয়, রাখাইনে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত এবং রোহিঙ্গা মুসলিমদের ফিরিয়ে আনার ইস্যুতে সুচি এবং সেনাবাহিনীর সম্পর্ক বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। সংকট নিরসনে জাতিসংঘকে সংশ্লিষ্ট করার যে উদ্যোগ সু চি নিয়েছেন, সেনাবাহিনী তা ভালোভাবে দেখছে না। বিশেষ করে তদন্ত কমিটিতে একজন বিদেশি বিশেষজ্ঞ রাখার বিষয় নিয়ে তীব্র আপত্তি করছে সেনাবাহিনী। নিবন্ধে সেনাপ্রধানের ঘনিষ্ঠ একজন সাবেক সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে জ্যাগান বলেছেন, “এটা (তদন্তে বিদেশিকে রাখা) সেনাবাহিনী কোনওভাবেই গ্রহণ করবে না। এই রেড-লাইন অতিক্রম করা যাবে না।”

ওই একই নিবন্ধে আভাস দেওয়া হয়েছে যে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার মিয়ানমার সফরে আসার পর দুই নেতার মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনে ভূমিকা রাখছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘জাতিসংঘের একজন দূত অনিচ্ছাকৃতভাবেই মিয়ানমারের শীর্ষ বেসামরিক নেতা ও রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি এবং সেনাপ্রধান মিন অং হ্লায়াং-এর মধ্যে শান্তি স্থাপনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছেন। রাখাইন পরিস্থিতি সামলানো এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রশ্নে দুই সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে বাক-বিতণ্ডা হওয়ার পর থেকে দুই নেতার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিলো। এ উত্তেজনাপূর্ণ সময়গুলোতে মিয়ানমারে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত ও সুইস কূটনীতিক ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার মিয়ানমারে সফর শুরু করেন। মিয়ানমারে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর দেশটিতে এটাই তার প্রথম সফর। তার প্রথম সরকারি সফর শেষ হয় বৃহস্পতিবার (২১ জুন)। তিনি মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধানসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD