শিরোনাম :
২০২৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বসছে প্রথম নারী ক্লাব বিশ্বকাপ, লড়বে ১৯ দল দুই বছরে ৪ বার অবমাননার শিকার বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য:ক্ষুব্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধারা, সংস্কার কার্যক্রমে স্থবিরতা বঙ্গোপসাগরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন লঘুচাপের শঙ্কা, পাঁচ দিন পর বৃষ্টির আভাস মোংলা বন্দরকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের কেন্দ্র বানানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর; সুন্দরবন উপকূল পরিদর্শনে দিনভর তৎপরতা আইনের শাসন সূচকে বাংলাদেশের দুই ধাপ অগ্রগতি, তবু মৌলিক অধিকার ও দেওয়ানি বিচারে বড় ধাক্কা ৩১ কোটি বই ছাপার মহাযজ্ঞ: নতুন শিক্ষাক্রম ও ৪ বইয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় এনসিটিবি প্রথম ফুটবলার হিসেবে স্পেনের ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ সম্মাননা নিচ্ছেন মেসি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় সম্মতি পুতিনের ভবিষ্যতে বিক্ষোভ না করার মুচলেকায় ৭ দিন পর মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গে চীন-রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মেলন

মহানবী (সা.) মায়ের কবর জিয়ারত করে যা বলেছিলেন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লাম মাত্র ৬ বছর বয়সে নিজের মাকে হারিয়েছিলেন। মায়ের সঙ্গে তার সুখ স্মৃতি বা স্মৃতি খুব একটা ছিল না। নবীজির জন্মের আগেই পিতা ইন্তেকাল করেন।

শিশু মুহাম্মদের জন্মের পর তার চাঁদ মাখা মায়াবী চেহারা দেখে স্বামীর দুঃখ ভুলার চেষ্টা করেন মা আমেনা। কিন্তু সন্তানকে বেশি দিন কাছে রাখতে পারলেন না তিনি। আরবের তৎকালীন রীতি মেনে দিয়ে দিতে হলো দুধ মায়ের কাছে।

মুহাম্মদ সা. দুধ মায়ের কাছে পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকলেন। হালিমা (রা.) শিশু মুহাম্মদকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর মা আমেনার খুশির সীমা নেই। তাকে দেখে, তার যত্ন নিয়ে সময় কাটে মা আমেনার। এর মাঝে মা আমেনার ইচ্ছা জাগলো শিশু মুহাম্মদকে নিয়ে মদিনায় গিয়ে স্বামী কবর জিয়ারত ও মায়ের বাড়ি ঘুরে আসার।

তিনি আব্দুল মুত্তালিবকে জানিয়ে দাসী উম্মে আয়মানকে নিয়ে মদিনায় গেলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে আবওয়া নামক স্থানে এক রাতে ইন্তেকাল করেন তিনি। সেখানেই তাকে দাফন করা হয়। মায়ের ইন্তেকালের সময় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। এরপর তিনি দাদা আব্দুল মুত্তালিব ও চাচা আবু তালিবের কাছে লালিত-পালিত হন।

হিজরতের কয়েক বছর পর মায়ের কবরের সেই পথ দিয়ে সাহাবিদের নিয়ে যাচ্ছিলেন প্রিয় নবী (সা.)। সারা জাহানের সর্দার নবীকুল শিরোমণি তখন কিছুক্ষণের জন্য বিমূঢ় হয়ে গেলেন। সাহাবিদের সেখানে অবস্থানের নির্দেশ দিয়ে তিনি মায়ের কবর পানে গিয়ে অঝোরে কাঁদতে লাগলেন। দীর্ঘক্ষণ মোনাজাত করে কাঁদলেন।

উপস্থিত সাহাবিরাও রাসুল (সা.)-এর এ অবস্থা দেখে কান্না সংবরণ করতে পারলেন না। যারা জানতেন যে এখানে প্রিয় রাসুল (সা.)-এর সম্মানিত আম্মাজানের কবর তারা তো বুঝলেনই, আর যারা জানতেন না তারা রাসুল (সা.)-এর জিয়ারত শেষে জিজ্ঞেস করলে রাসুল (সা.) বলেন, এটি আমার আম্মাজানের কবর। (মুসান্নাফে আব্দুর রায্যাক, হাদিস : ৩২৯২)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—

একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) তার আম্মাজানের কবর জিয়ারত করার জন্য গমন করেন। এ সময় রাসুল (সা.) কাঁদলেন এবং তাঁ সঙ্গীরাও কাঁদল। এরপর রাসুল (সা.) বলেন—

‘আমি আমার রবের কাছে, আমার মায়ের কবর জিয়ারত করতে চাইলে তিনি এর অনুমতি দিয়েছেন। কাজেই তোমরা কবর জিয়ারত করবে। কেননা তা মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৩২৩৪)

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD