শিরোনাম :
সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা মাদক কেনার টাকা জোগাড়ে ২০ মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রির অভিযোগ সিসিটিভি ফুটেজের সূত্রে অপ্রতিম হত্যা তদন্তে অগ্রগতি, উদ্ধার আইফোন দেশের ৩৭ জেলায় বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপরিষদে আইন পাস: ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৮
  • ডেস্ক রিপোর্ট

শনিবার ২১ এপ্রিল ১২ বছরের নিচে বয়স এমন শিশুদের ধর্ষণে অভিযুক্তদের মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে একটি বিল অনুমোদন করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপরিষদ। সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই বিলের বলে আদালত অভিযুক্তকে মৃত্যুদন্ডে দণ্ডিত করতে পারবে। এই বিলের কারণে ভারতের দণ্ডবিধি আইন ও সাক্ষ্য আইন সিআরপিসি সংশোধন করতে হবে। একইসঙ্গে প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল ওপেন্সেস (পিওসিএসও) -এর ক্ষেত্রে শাস্তি প্রদানের নতুন বিধি প্রণয়ন করতে হবে।

এর আগে এই আইন প্রণয়নের বিষয়ে শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্টকে সরকারের পক্ষ থেকে অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্ত করার ক্ষেত্রেও কিছু কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যেমন একটি ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, আগের সাত থেকে ১০ বছর বা যাবজ্জীবন কারাদর পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড আনা হয়েছে। ১৬ বছরের নিচে কেউ ধর্ষিত হলে অভিযুক্তকে ১০ থেকে ২০ বছরের সাজা দেওয়ার বা সেটা যাবজ্জীবন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু ১২ বছরের নিচে ধর্ষিত হওয়ার শিশুর অভিযুক্তের সাজার ব্যবস্থা করা হয়েছে ২০ বছর।

বিলটিতে ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে তদন্ত কাজ দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়। ছয় মাসের মধ্যে সব ধর্ষণ মামলারই সমাপ্তি ঘটতে হবে। তবে ধর্ষণ মামলার অভিযুক্তদের জামিন বিষয়েও বিলে বলা হয়েছে। ১৬ বছরের নিচে কোনো মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে যদি কেউ বা কোনো দলবদ্ধ ধর্ষক অভিযুক্ত হন তাহলে তার বা তাদের জামিনের কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি বর্তমান বিলে।

তবে জামিন বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে গেলে আদালতকে সরকারি কৌশলী ও ধর্ষিতের প্রতিনিধিকে ১৫ দিন আগে জানান দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিলটি সংসদের দুই কক্ষে পাস হলেই সেটি আইনে পরিণত হবে।

ভারতীয় পত্রিকা আজকাল জানিয়েছে, লন্ডনে প্রবাসী ভারতীয়দের সভায় কাঠুয়া গণধর্ষণকা- নিয়ে প্রথম মুখ খুলেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সর্বসমক্ষে বলেছিলেন ধর্ষণটা ধর্ষণই, এই নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক নয়। এর জন্য সরকারকে দায়ী করা অমূলক। তিনি ধর্ষণ রোধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সেখানেই। কাঠুয়া গণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পরেই এই নিয়ে কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরের মধ্যেই তৈরি হয়ে যায় বিলের খসড়া। তারপর সেটা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সেখান থেকেই শনিবার পেশ করা হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদে। সেখানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তেই পাস হয়ে যায় বিলটি। তাতে সিলমোহর দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যদিও এর আগেই রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা রাজ্য সরকার শিশু ধর্ষকদের ফাঁসির সাজা দেওয়ার আইন জারি করে ফেলেছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD