বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৫ থেকে ২০টি ব্যাংক একীভূত (মার্জ) করার পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫টি ব্যাংকের মার্জ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর জাহাঙ্গীর আলম সম্মেলনকক্ষে মুদ্রানীতির অর্ধবার্ষিক ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন তিনি।
গভর্নর বলেন, “মার্জার কোনো তাত্ক্ষণিক চিকিৎসা নয়, এটি বড় ধরনের সার্জিক্যাল অপারেশন। মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক স্থিতিশীলতা, মূলধন শক্তিশালীকরণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা।”
তিনি জানান, ব্যর্থ ব্যাংকগুলোকে পর্যায়ক্রমে একীভূত করা হবে। এক্ষেত্রে পদ্মা ব্যাংক বিশেষ নজরদারিতে রয়েছে। প্রয়োজনে একে অন্য ব্যাংকের সঙ্গে মার্জ করা হতে পারে।
ড. মনসুর বলেন, “সরকার ব্যাংক কিনতে চায়নি, বাধ্য হয়ে জনস্বার্থে হস্তক্ষেপ করেছে। এক বছর সময় দেওয়া হয়েছিল ঘুরে দাঁড়াতে। ইসলামী ব্যাংক ও ইউসিবি কিছুটা সফল হয়েছে, তাই এখন তাদের হস্তক্ষেপের দরকার নেই।”
ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। নতুন আইনে একজন পরিচালক সর্বোচ্চ ছয় বছর পর্ষদে থাকতে পারবেন এবং একই পরিবারের সদস্যদের সংখ্যা নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখতে হবে। এছাড়া, স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকা থেকে।