শিরোনাম :
বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ

বিশ্ব খাদ্য দিবস-ক্ষুধামুক্ত পৃথিবীর প্রত্যাশা

সম্পাদকীয়:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫

সম্পাদকীয়: প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব খাদ্য দিবস। ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রতিষ্ঠার স্মরণে এ দিবসের সূচনা, যার লক্ষ্য একটাই—পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের খাদ্যের অধিকার নিশ্চিত করা। ক্ষুধামুক্ত এক পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকারেই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে।

আজও বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য ও অপুষ্টিতে ভুগছে। একদিকে খাদ্যের অপচয়, অন্যদিকে অন্নের অভাবে মৃত্যুবরণ-এ এক ভয়াবহ বৈপরীত্য। উন্নত প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির যুগেও খাদ্যনিরাপত্তা এখনো একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। শুধু উন্নয়নশীল দেশ নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সংঘাত ও বৈষম্যের কারণে উন্নত দেশগুলিতেও মানুষ আজ খাদ্যসংকটে ভুগছে।

বিশ্ব খাদ্য দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়-খাদ্য শুধু অর্থনৈতিক সামর্থ্যের বিষয় নয়, এটি একটি মৌলিক মানবাধিকার। টেকসই কৃষি, নিরাপদ উৎপাদন ব্যবস্থা, এবং খাদ্যের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলসহ অসংখ্য সংস্থা এ লক্ষ্যে কাজ করছে; কিন্তু প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব হবে তখনই, যখন প্রতিটি রাষ্ট্র, প্রতিটি নাগরিক এ দায়িত্ব নিজের বলে মনে করবে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিনির্ভর এই দেশে খাদ্য উৎপাদনে অর্জন প্রশংসনীয় হলেও অপচয়, সংরক্ষণ ঘাটতি ও নিরাপদ খাদ্যের অভাব এখনো উদ্বেগের কারণ। আমাদের প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা।

বিশ্ব খাদ্য দিবস কেবল একটি প্রতীক নয়; এটি মানবতার প্রতি এক নৈতিক আহ্বান-
যে পৃথিবীতে কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না, যেখানে অন্ন হবে মর্যাদার প্রতীক, দান নয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD