শিরোনাম :
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ চীন-আসিয়ান বৈঠকে চার দফা সহযোগিতা প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনা নয়, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের আগে সিজেপির কঠোর বার্তা কুয়েত ও কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থে গড়ে উঠেছে চীন-আফ্রিকা সম্পর্ক

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬

সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র সিজিটিএন, ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায়, আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশন (এইউসি)-র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাহামুদ আলী ইউসুফের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল গণমাধ্যমকে দেওয়া তার প্রথম একান্ত সাক্ষাৎকার।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চীন হলো আফ্রিকার প্রকৃত বন্ধু। যখন অন্যান্য দেশ আফ্রিকার অবকাঠামো উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোয় সহায়তা করতে অনিচ্ছুক ছিল, তখন চীন সক্রিয়ভাবে আফ্রিকাকে সহায়তা প্রদান করে। তিনি দৃঢ়ভাবে চীন-আফ্রিকা সহযোগিতার বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের বিরোধিতাও করেন।
এইউ দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীননীতি’-তে অবিচল থাকবে উল্লেখ করে ইউসুফ বলেন, আফ্রিকা ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক অভিন্ন স্বার্থ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের প্রস্তাবিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ’ ও ‘বিশ্ব পরিচালনা প্রস্তাব’, আফ্রিকান দেশগুলোর স্বার্থের সাথে সংগতিপূর্ণ। আফ্রিকা চীনের সাথে একটি সুষ্ঠু সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তুলেছে।

তিনি বলেন, বহু বছর ধরে আফ্রিকা চীনের সাথে সড়ক, রেলপথ, বন্দর ও পণ্য পরিবহনসহ অবকাঠামো ক্ষেত্রের সহযোগিতা উন্নত করে আসছে। এর ভিত্তিতে আফ্রিকা চীনের সাথে জ্বালানিসম্পদ ও বিদ্যুত্ নেটওয়ার্ক নির্মাণ খাতে সহযোগিতা চালায়। এখন তারা সাংস্কৃতিক যোগাযোগ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করছে। এ ছাড়াও, আফ্রিকা চীনের সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিবে, যাতে লক্ষ লক্ষ আফ্রিকানও দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে পারে।
ইউসুফ বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ২০২৬ সালকে ‘চীন-আফ্রিকা মানুষে মানুষে বিনিময়ের বর্ষ’ হিসেবে মনোনীত করেছেন। চীনা ও আফ্রিকান জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা বেঁচে থাকা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেজ্য আফ্রিকা ‘চীন-আফ্রিকা মানুষে মানুষে বিনিময়ের বর্ষ’-কে স্বাগত জানায়।

তিনি আরও বলেন, আফ্রিকায় ৫০টিরও বেশি দেশ আছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা। এ সব দেশ যদি ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং এক জাতি হিসেবে কথা বলতে পারে, তাহলে বৈশ্বিক সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর এই মহাদেশের গভীর প্রভাব থাকবে। আফ্রিকা চীনের মতো নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের সাথে কাজ করছে, যাতে বিশ্ব আফ্রিকার কণ্ঠস্বর শুনতে পায় এবং এর চাহিদাকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে।

সূত্র : ছাই-আলিম,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD