শিরোনাম :
সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা মাদক কেনার টাকা জোগাড়ে ২০ মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রির অভিযোগ সিসিটিভি ফুটেজের সূত্রে অপ্রতিম হত্যা তদন্তে অগ্রগতি, উদ্ধার আইফোন দেশের ৩৭ জেলায় বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ত্রিপক্ষীয় সংলাপ: বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় যৌথ কৌশলের আলোচনা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন চলাকালে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুল এবং ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৪, (শুক্রবার) এক ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন।

বৈঠককালে ওয়াং ই বলেন, চীন, জার্মানি ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এই প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠক নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ভাবনী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং কৌশলগত আদান-প্রদানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। বর্তমানে আন্তর্জাতিক কাঠামোয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে গভীর ও জটিল পরিবর্তন ঘটছে। একতরফাবাদ, সংরক্ষণবাদ আর আধিপত্যবাদ দিন দিন প্রকট হয়ে উঠছে। জাতিসংঘ-কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ব্যাপক লঙ্ঘন করা হচ্ছে। উন্মুক্ত সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বিশ্বায়নও আজ প্রবল বাধার সম্মুখীন। বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়ন এখন অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে। বিশ্বের বড় দায়িত্বশীল দেশ ও প্রধান অর্থনৈতিক সত্তা হিসেবে এই তিন দেশের কাঁধে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে মতভেদ এড়িয়ে ঐকমত্য বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে। পারস্পরিক উপকারি সহযোগিতার নীতিতে অবিচল থাকতে হবে, যাতে অস্থিতিশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে আরও বেশি নিশ্চয়তা প্রদান করা সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, চীন ও ইউরোপের সহযোগিতার ৫০ বছরের ইতিহাস থেকে বোঝা যায়, দুই পক্ষ একে অপরের অংশীদার, প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। পারস্পরিক নির্ভরশীলতা কোনো ঝুঁকি নয়, বরং দুই পক্ষের উন্মুক্ত সহযোগিতা নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে না।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াডেফুল বলেন, অস্থিতিশীল বিশ্বের প্রেক্ষাপটে জার্মানি এবং ফ্রান্সের আগের চেয়ে চীনের সঙ্গে আরও বেশি সংলাপ ও যোগাযোগ রক্ষা করা প্রয়োজন। বড় দেশগুলো ভূমিকা পালন করলে তা অভিন্ন অবস্থান তুলে ধরতে সহায়তা করবে। বৈশ্বিক ইস্যুতে চীনের ভূমিকাকে জার্মানি গুরুত্ব দেয় এবং চীনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে আগ্রহী। তাঁর দেশ অবাধ বাণিজ্য সমর্থন করে এবং চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক মতভেদ সমাধানে আলোচনার পথ বেছে নেবে।

ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারো বলেন, চলমান বিশ্বে অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। বহুপক্ষবাদ ও আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা আজ নানা হুমকির মুখে। ফ্রান্স, চীন ও জার্মানির উচিত বিশ্বশান্তি রক্ষা ও বৈশ্বিক প্রশাসনে যৌথভাবে ভূমিকা পালন করা। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হলে অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা আরও জরুরি হয়ে পড়ে। ফ্রান্স চীনের সঙ্গে সংলাপে আগ্রহী এবং যৌথভাবে বহুপক্ষবাদ ও অবাধ বাণিজ্য সুরক্ষায় কাজ করতে চায়।

সূত্র:সুবর্ণা-তৌহিদ-লাবণ্য,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD