শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরানো নিয়ে আপিল শুনানির চতুর্থ দিন চলছে

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে দায়ের করা চূড়ান্ত আপিলের শুনানি চতুর্থ দিনের মতো শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়।

এদিন আদালতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের পক্ষে শুনানি করছেন আইনজীবী শিশির মনির। এর আগে গত সপ্তাহে তিন দিন ধরে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূইয়া, ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্যান্য পক্ষের প্রতিনিধিরা। এছাড়া ইন্টারভেনার হিসেবে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক।

উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন গ্রহণ করে আপিল বিভাগ। এরপর থেকেই ধারাবাহিকভাবে শুনানি চলছে।

সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যুক্ত করা হয়। ১৯৯৮ সালে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

পরবর্তীতে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করেন। এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয় এবং একই বছরের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয় পঞ্চদশ সংশোধনী আইন।

তবে সরকার পরিবর্তনের পর ৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি এ রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৬ অক্টোবর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার গত বছরের ২৩ অক্টোবর পৃথকভাবে রিভিউ আবেদন করেন। একই বছরের শেষ দিকে নওগাঁর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও আবেদন দাখিল করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, পক্ষগুলোর বক্তব্য শোনার পর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ রায় ঘোষণা করবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD