শিরোনাম :
পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু, কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যৌতুক ও মাদক নির্মূলে পরিবার থেকেই পরিবর্তনের ডাক ভূমি প্রতিমন্ত্রীর প্রতিবন্ধী তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা বাড়াতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ,অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের দাবি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের গ্রুপে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান, ড্রয়ে স্বস্তির আভাস ‘এ মুহূর্তে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই’-পেট্রোবাংলা বাগেরহাটে নির্মাণাধীন সেফটি ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান, বিপুল সরঞ্জামসহ আটক ৪ ধর্ষণ ও আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ায় উদ্বেগ, জুলাইয়ের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ

ঝিনাইদহে পেয়ারা চাষে সাফল্য পাচ্ছেন কৃষক

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

রামিম হাসান, ঝিনাইদহ থেকে: ব্যাপক চাহিদা ও অধিক মুনাফা থাকায় দেশীয় ফল পেয়ারা চাষ করে অল্প দিনেই সফল চাষি হিসাবে পরিচিতি লাভ করছে ১৬৫.৬৬ বর্গ কি.মি. আয়োতনের উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৮১টি গ্রামের অধিকাংশ চাষিরা। সেই কারণেই নিয়মিত চাষিরা ছাড়াও অনিয়মিত চাষিরাও ঝুকছেন পেয়ারা চাষে। গ্রামের প্রতিটি মাঠ এখন পেয়ারা বাগানে ছেয়ে গেছে। যেসব মাঠে অন্যান্য চাষ হতো, সেইসব মাঠে এখন পেয়ারা বাগানের সবুজ রঙ্গে ছেয়ে যাচ্ছে।

গল্পটা ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার। সরিজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এই উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় সব মাঠেই এখন পেয়ারার চাষে ভরে গেছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী উপজেলার ১নং সাফদারপুর ইউনিয়নটি পেয়ারা চাষে বেশি এগিয়ে। এলাকার পেয়ারা চাষে ব্যাপক সফলতা দেখে অন্য চাষিরা ছাড়াও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন এলাকার শিক্ষিত যুবসমাজ। বলা যায় এলাকার চেহারায় বদলে দিচ্ছে পেয়ারা।

স্থানীয় কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, কোটচাঁদপুর উপজেলায় প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হচ্ছে। পেয়ারা বিক্রি করে বছরে বিঘা প্রতি প্রায় ৩/৪ লক্ষ টাকা লাভ করা সম্ভব বলে জানান কৃষি অফিস। ভালো জাতের চারা লাগানোর পর নিয়মিত পরিচর্জা এবং সময় মত পলি ও স্প্রে করতে পারলে ৭ থেকে ৮ মাসের মধ্যেই ফল দিয়া শুরু করে। একবার ফল ধরা শুরু হলে নিয়মিতই ফল পাওয়া যায়। অন সিজনে প্রতি কেজি পেয়ারা সর্বনিম্ন ১০-১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও অফ সিজনে এই পেয়ারা বিক্রি হয় ৭০-৮০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে।

উপজেলার লক্ষিকুন্ড গ্রামের বড় পেয়ারা চাষি শাহাজান আলী বলেন, প্রথমে আমি অর্থনৈতিক ভাবে অনেক কষ্ঠের মধ্যে থাকলেও পেয়ারা চাষ করে এখন আমি পুরাপুরি সাবলম্বি। প্রথম দিকে অল্প জমিতে পেয়ারা চাষ শুরু করলেও বর্তমানে নিজের জমি ছাড়াও অন্যের জমি লিজ নিয়ে মোট ২০-৩০ বিঘা জমিতে পেয়ারা চাষ করছেন। তিনি আরও বলেন, আমার বাগানের পেয়ারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক চাহিদা থাকায় বাজার মূল্য একটু বেশিই পায়। একই গ্রামের কবির হোসেন বলেন, প্রথমে দিকে সেভাবে চাষ না করলেও অধিক লাভ জনক ও চাহিদা থাকায় পেয়ারা চাষ করছি। এবং সফলতাও পাচ্ছি। সাফদারপুর বাজারের পুরাতন ব্যবসায়ী ও বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের তৈয়বুর রহমান বলেন, অধিক লাভ জনক হওয়ায় ব্যবসার পাশাপাশি পেয়ারা চাষ শুরু করেছি।

উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী ও চাষি মহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় ধান, ভুট্টা ও ফুলকপির চাষ হতো, বর্তমানে ২০০-২৫০ বিঘা জমিতে এখন পেয়ারার চাষ হচ্ছে। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, অধিক লাভ ও চাহিদা থাকায় সবাই পেয়ারা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। উপজেলার প্রতিটি এলাকা ঘুরে দেখা যায় প্রতিদিন স্থানীয় পাইকার ছাড়াও কাটুনজাত করে ট্রাক ও পিকাপ ভর্তি করে ঢাকা, সিলেট, চট্রগাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যাবসায়ীরা পেয়ারা ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শেখ সাজ্জাদ হোসেন জানান, এই উপজেলায় বর্তমানে প্রতিনিয়ত পেয়ারার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিস চাষিদেরকে যে কোন বিষয়ে পরামর্শ ছাড়াও যাবতীয় দেখভাল করছেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD