জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: বিএনপির পক্ষ থেকে ১২টি লক্ষ্যের কথা জানানো হয়েছে। দলটির নেতারা বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় গেলে এসব লক্ষ্য পূরণ করা হবে।
রোববার প্রায় ১১ মাস পর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করেছে বিএনপি। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। তবে দুর্নীতি মামলায় কারাগারে থাকায় তার আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছিল। জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মির্জা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতারা এতে বক্তব্য দেন।
বিএনপির ১২টি লক্ষ্যের মধ্যে আছে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিচার, প্রশাসন ও নির্বাহী বিভাগ গড়ে তোলা; স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক শক্তিশালী ও কার্যকর করা; গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কমিশনকে স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া; সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়-এই নীতি অনুসরণ; কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদকে আশ্রয় না দেওয়া; নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য একটি সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা; বেকার ভাতা চালু করা; স্বাস্থ্য ও কৃষিবিমা চালু করা; বিদ্যুৎ, জ্বালানি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা; স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করা; নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা নিশ্চিত করা; স্থানীয় সরকারকে আধুনিক ও যুগোপযোগীভাবে মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া; প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠন করা।