শিরোনাম :
‘ক্ষমতার চেয়ার নয়, জনগণের সেবাই হোক দায়িত্ব’—ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইবার অপরাধ দমনে প্রতিটি মহানগরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাব স্থাপনের ঘোষণা পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকৃতিভিত্তিক উদ্যোগেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন অর্থায়নের ঘোষণা দিল অস্ট্রেলিয়া নিয়মিত অভিবাসনের সুযোগ বাড়াতে আইওএমের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিমান খাতের আধুনিকায়ন ও পর্যটন উন্নয়নে আইএটিএর সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু, কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যৌতুক ও মাদক নির্মূলে পরিবার থেকেই পরিবর্তনের ডাক ভূমি প্রতিমন্ত্রীর প্রতিবন্ধী তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা বাড়াতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

‘ক্ষমতার চেয়ার নয়, জনগণের সেবাই হোক দায়িত্ব’—ভূমি প্রতিমন্ত্রী

জার্মান- বাংলা ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণই সর্বোচ্চ শক্তি এবং জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব জনগণের সেবা করা—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউই দেশের মালিক নন; বরং ১৮ কোটি মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যাকবলিত প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারের মধ্যে গৃহনির্মাণ সামগ্রী, খাদ্যশস্য, ধানবীজ, সার ও কীটনাশক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ক্ষমতার মানসিকতা পরিহার করে সেবার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। জনগণ যেন সরকারি দপ্তরে গিয়ে সম্মানজনক ও বৈষম্যহীন সেবা পান, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থেকেও বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মানবসেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। মানুষের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সম্পদের ব্যবহারকে তিনি সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বন্যা মোকাবিলায় সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের জুলাইয়ে শুরু হওয়া বন্যার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ, আশ্রয় ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে সরকারি সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা সমন্বিতভাবে কাজ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে আশ্রয়কেন্দ্র ও সাইক্লোন সেন্টারের কার্যকর ব্যবস্থাপনার কারণে বহু মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

ব্যক্তিগত উদ্যোগের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজের বিত্তবান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো যদি আরও বেশি মানবিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসে, তাহলে দরিদ্র ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ব্যয়ের সামান্য অংশও যদি অসহায় মানুষের জন্য ব্যয় করা হয়, তবে দারিদ্র্য কমাতে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পূর্ণতা পাবে না। তাই সরকারের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে এমনভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান, যাতে মানুষ বাস্তবে অনুভব করতে পারেন—রাষ্ট্র তাদের জন্যই কাজ করছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD