শিরোনাম :
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড আন্তর্জাতিক সংলাপে নগর-উন্নয়নের ভবিষ্যৎ রূপরেখা: হ্যনানে সফল সমাপ্তি বিশ্ব মেয়র সম্মেলন রোহিঙ্গা উপস্থিতি অর্থনীতি ও পরিবেশে বড় চাপ: কানাডার প্রতিমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে নজরুলের দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান: মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী অবৈধ অভিবাসনে ‘জিরো টলারেন্স’: ইইউ কমিশনারের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সম্পাদকীয়:শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয় সিইসি পদত্যাগের দাবিতে অটল আন্দোলনকারীরা; পাশে থাকার বার্তা রাহুলের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির ঘোষণা ট্রাম্পের রিয়াদ বিমানবন্দরে অচলাবস্থা: বিমানের ঢাকা-রিয়াদ রুটের দুটি ফ্লাইট স্থগিত মানবসভ্যতা ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষাই প্রধান চাবিকাঠি : পেং লি ইউয়ান

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নজিরবিহীন যুদ্ধ ঘোষণা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ছবি : ইন্টারনেট

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও ইউরেনিয়াম আমদানিকারক দেশগুলোর বিরুদ্ধে নজিরবিহীন যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুতিনের ‘যুদ্ধযন্ত্র’কে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করতে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোর ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত চড়া আমদানি শুল্ক আরোপের একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন তিনি।

রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক—উভয় পার্টির সমর্থনে তৈরি এই ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ কার্যকর হলে বিশ্ব বাণিজ্যে এক বিশাল অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খবর এনডিটিভির।

সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ও রিচার্ড ব্লুমেনথালের তৈরি এই বিলে ট্রাম্প প্রশাসনকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে যারা জেনেবুঝে রাশিয়ার তেল বা গ্যাস কিনবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরাসরি সেই দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা পণ্যের ওপর আকাশচুম্বী শুল্ক এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন।

মূলত মস্কোর অর্থের উৎস পুরোপুরি বন্ধ করে ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করাই ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য। এই বিল পাস হলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে ভারত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা ভারতীয় কিছু পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক রাশিয়ার তেল কেনার কারণে আগে থেকেই কার্যকর রয়েছে। নতুন বিল অনুযায়ী এই শুল্কের পরিমাণ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়লে দুই দেশের বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নামতে পারে।

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মতে, ইউক্রেন যখন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, তখন পুতিনকে দমাতে এই কঠোর পদক্ষেপের কোনো বিকল্প নেই। সিনেটর গ্রাহাম জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই বিলটি নিয়ে মার্কিন সিনেটে ভোটাভুটি হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, রাশিয়ার ব্যবসায়িক অংশীদারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই এখন হোয়াইট হাউসের প্রধান কৌশল।

এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় শুধু তেল নয়, রাশিয়ার ইউরেনিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোও বড় ধরনের অর্থনৈতিক শাস্তির মুখে পড়বে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই আগ্রাসী নীতি বিশ্বজুড়ে নতুন এক অর্থনৈতিক স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা করতে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD