শিরোনাম :
ওয়াশিংটন-অটোয়া সমঝোতার আভাস, কানাডার পণ্যে শুল্ক স্থগিত জার্মানিতে অভিবাসন বিরোধ, নর্ড স্ট্রিম তদন্ত, রাইনে নাব্য সংকট ও চরম আবহাওয়ার সতর্কতা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট, বৃহস্পতিবার মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ জনের, আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়ার উদ্যোগ লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি, আগস্টে প্রত্যাবাসন ৫১৪ পাঁচ মাস পর নতুন কমিশন পেল দুদক নবম জাতীয় বেতন স্কেল: সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ জেনেভায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত শিল্প ও পরিবহনে নতুন চাপের মধ্যে জার্মানি, অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির আশা ও AI নিয়ে বাড়ছে প্রস্তুতি

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েলে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও তীব্র করার পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় করছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্ভাব্য সংঘাতের বিস্তার, ইরানের প্রতিক্রিয়া এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একাধিক কৌশলগত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কান

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যদি ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাহলে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে—সেটি দুই দেশের আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বর্তমান পর্যায়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সংঘাতে সম্পৃক্ত না করার অবস্থানও যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে।

দুই দেশের নিরাপত্তা বিশ্লেষণে ধারণা করা হয়েছে, পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে ইরান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইসরায়েলের পাল্টা হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তবু আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হোক, এমন পরিস্থিতি আপাতত এড়াতে চায় ওয়াশিংটন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নিজের সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলে যুদ্ধবিমানের জন্য অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর পাশাপাশি ইউরোপ ও কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে ১০টির বেশি এয়ারিয়াল রিফুয়েলিং বিমান সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়েনেট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যৎ সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে প্রায় ১০০টি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ইসরায়েলের বিভিন্ন ঘাঁটিতে মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের রামন বিমানঘাঁটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘপাল্লার বিমান অভিযান চালাতে হলে এসব রিফুয়েলিং বিমানের প্রয়োজনীয়তা বাড়বে। একই সঙ্গে বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও কিছু বিমান পরিচালনার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে অতিরিক্ত ১৪টি রিফুয়েলিং বিমান পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে জুন মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী শান্তি চুক্তি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের সামরিক অভিযানের জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত সামরিক পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা মূল্যায়নের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD