শিরোনাম :
ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে: এলজিআরডি মন্ত্রী পানি সংকট মোকাবিলায় প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অববাহিকাভিত্তিক সহযোগিতা জরুরি নেপালে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা, দেশজুড়ে বিক্ষোভ; কঠোর আইনের দাবি চীনের বাজার সম্পদভিত্তিক দেশগুলোর অর্থনীতিতে সহায়তা করছে: জরিপ যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রায় ২ লাখ ভিসা বাতিলের উদ্যোগ ফ্রাঙ্কফুর্টে বাঙালির মিলনমেলা: ফেনী অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণাঢ্য অভিষেক ইয়াসমিন হত্যা দিবস :ধর্ষণের পর হত্যায় ভয়াবহ ঊর্ধ্বগতি, সাত মাসেই নিহত ৫৮ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম নিলামে গান্ধীর ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি, দাম উঠল ২০ কোটির বেশি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সার্ক-বিমসটেককে সক্রিয় করার তাগিদ

বন্যাদুর্গত মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ

জার্মান- বাংলা ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ও কার্যকর সেবা পৌঁছে দিতে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিচ্ছিন্নভাবে বা একক সিদ্ধান্তে পরিচালিত কার্যক্রমের পরিবর্তে সমন্বয়ভিত্তিক উদ্যোগই দুর্যোগ মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা হলো—সব সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং সব কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে সাধারণ মানুষ। দুর্যোগের এই সময়ে কারা কতটুকু কাজ করেছে, সেই হিসাব বা কৃতিত্ব নেওয়ার প্রতিযোগিতায় না গিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, যে যার মতো সিদ্ধান্ত নিয়ে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। তাই মাঠপর্যায়ে সব সংস্থার মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনেক ছোট ছোট প্রকল্প থাকলেও এগুলোর পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং উন্নয়নের সুফলও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার পর তা সময়মতো কাজে ব্যয় না করে ফেরত দেওয়া কোনো সাফল্য নয়। বরং এতে সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং জনগণ প্রত্যাশিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। তাই বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় এবারের ভয়াবহ বন্যায় বান্দরবানের ক্ষয়ক্ষতি, বর্তমান পরিস্থিতি এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং জরুরি সেবার কার্যক্রম আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য সাচিং প্রু এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা। এছাড়া জেলার বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

সূত্র: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD