শিরোনাম :
ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে: এলজিআরডি মন্ত্রী পানি সংকট মোকাবিলায় প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অববাহিকাভিত্তিক সহযোগিতা জরুরি নেপালে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা, দেশজুড়ে বিক্ষোভ; কঠোর আইনের দাবি চীনের বাজার সম্পদভিত্তিক দেশগুলোর অর্থনীতিতে সহায়তা করছে: জরিপ যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রায় ২ লাখ ভিসা বাতিলের উদ্যোগ ফ্রাঙ্কফুর্টে বাঙালির মিলনমেলা: ফেনী অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণাঢ্য অভিষেক ইয়াসমিন হত্যা দিবস :ধর্ষণের পর হত্যায় ভয়াবহ ঊর্ধ্বগতি, সাত মাসেই নিহত ৫৮ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম নিলামে গান্ধীর ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি, দাম উঠল ২০ কোটির বেশি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সার্ক-বিমসটেককে সক্রিয় করার তাগিদ

ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ,অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের দাবি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় নির্যাতিত কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

শনিবার বিকেলে কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে তিনি বলেন, অভিযুক্তদের পরিচয় ভুক্তভোগী পরিবার জানে এবং ঘটনাটি বহু মানুষের নজরের সামনেই ঘটেছে। তাই অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা উচিত।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং অপর দুজন কিশোর। পলাতক অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, কিশোরীর দাদি হাসপাতালে ভর্তি থাকায় অস্ত্রোপচারের জন্য তার মা ও চাচা সেদিন রাতে হাসপাতালে ছিলেন। এ সুযোগে রাতের প্রথম প্রহরে আট থেকে দশজনের একটি দল বাড়ি ঘিরে ফেলে। দরজা না খোলায় জানালা ভেঙে কিশোরীকে জোরপূর্বক বের করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পাশের একটি গ্রামে তাকে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, রাত তিনটার দিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কিশোরীকে বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুই ব্যক্তি। স্থানীয়রা ধাওয়া করে তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

বর্তমানে নির্যাতিত কিশোরী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার মা বলেন, হাসপাতালে থাকার কারণে তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। বাড়ি ফিরে মেয়ের অবস্থা দেখে তিনি ভেঙে পড়েন এবং জড়িত প্রত্যেকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

কিশোরীর চাচা অভিযোগ করেন, অস্ত্রধারীরা প্রতিবেশীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়ার পর কিশোরীকে মারধর করে তুলে নিয়ে যায়। এলাকাবাসীর দাবি, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং কিশোরীকে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত। স্থানীয়দের একজন তাদের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলেও দাবি করেন।

সদরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল আল মামুন শাহ জানান, ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং পরে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী পরিবারের

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD