শিরোনাম :
সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা মাদক কেনার টাকা জোগাড়ে ২০ মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রির অভিযোগ সিসিটিভি ফুটেজের সূত্রে অপ্রতিম হত্যা তদন্তে অগ্রগতি, উদ্ধার আইফোন দেশের ৩৭ জেলায় বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

পরিবেশ সুরক্ষা ও উন্নয়নের ভারসাম্যে চীনের সাফল্যের প্রশংসায় জাতিসংঘ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ঘনঘন দেখা দেওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্বের সব দেশের সামনে একটি বিষয় স্পষ্ট করে তুলেছে—অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে একটি সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা এখন সময়ের চরম দাবি।

জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব এবং ‘জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত কনভেনশন’-এর নির্বাহী সচিব ইয়াসমিন ফুয়াদ সম্প্রতি বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপের বিশেষ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি পরিবেশগত উন্নয়ন ও সুরক্ষায় চীনের অর্জিত অভূতপূর্ব সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, চীন দীর্ঘমেয়াদী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তা বাস্তবায়ন করেছে। এর মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পরিবেশবান্ধব ও কম কার্বন নির্গমন নির্ভর টেকসই উন্নয়নের এক কার্যকর পথ উন্মোচিত হয়েছে, যা বৈশ্বিক পরিবেশ শাসন ও টেকসই উন্নয়নে নতুন প্রেরণা জুগিয়েছে।

ইয়াসমিন ফুয়াদ বলেন, ‘চীনের মূল শক্তির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাই হলো চীনের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব। চীনের পরিবেশ প্রশাসনের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সুদৃঢ়। আমি বিশ্বাস করি, এই বিশেষ অভিজ্ঞতার আলোকে চীন সম্পর্কিত অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও প্রসারিত করতে পারে।’

তিনি আরও যোগ করেন, “চীনের ‘স্বচ্ছ পানি ও সবুজ পাহাড়ই অমূল্য সম্পদ’—এই যুগান্তকারী চিন্তাধারা সর্বক্ষেত্রে অত্যন্ত গভীর তাৎপর্য বহন করে। আমরা একদিকে প্রাকৃতিক সম্পদ বিনাশ ও পরিবেশ ধ্বংস করে যাব, আর অন্যদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আশা করব—এই ধারণার দিন অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। পরিবেশ বিনষ্ট করে যে অর্থনৈতিক লাভ আসে, তা অতি ক্ষণস্থায়ী এবং দীর্ঘমেয়াদে এর জন্য বিশ্বকে চরম মূল্য দিতে হয়। প্রকৃত সমাধানের পথ আমাদের হাতের নাগালেই রয়েছে; তাই সংকট তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর চেয়ে এখনই দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।”

সূত্র: শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD