শিরোনাম :
ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে: এলজিআরডি মন্ত্রী পানি সংকট মোকাবিলায় প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অববাহিকাভিত্তিক সহযোগিতা জরুরি নেপালে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা, দেশজুড়ে বিক্ষোভ; কঠোর আইনের দাবি চীনের বাজার সম্পদভিত্তিক দেশগুলোর অর্থনীতিতে সহায়তা করছে: জরিপ যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রায় ২ লাখ ভিসা বাতিলের উদ্যোগ ফ্রাঙ্কফুর্টে বাঙালির মিলনমেলা: ফেনী অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণাঢ্য অভিষেক ইয়াসমিন হত্যা দিবস :ধর্ষণের পর হত্যায় ভয়াবহ ঊর্ধ্বগতি, সাত মাসেই নিহত ৫৮ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম নিলামে গান্ধীর ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি, দাম উঠল ২০ কোটির বেশি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সার্ক-বিমসটেককে সক্রিয় করার তাগিদ

তীব্র গরমে বিপর্যস্ত ইউরোপ, আট দিনে ১০ হাজারের বেশি প্রাণহানি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গত জুনের শেষ সপ্তাহে আঘাত হানা তীব্র তাপপ্রবাহে আট দিনের ব্যবধানে ১০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ইউরোপীয় মৃত্যুহার পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউরোমোমোর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বল্প সময়ের মধ্যে এ বিপুল প্রাণহানি সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম উদ্বেগজনক ঘটনা।

রোববার প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশে তাপপ্রবাহের প্রভাব মারাত্মক আকার ধারণ করে। এই সময় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার জনের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি ছিল, যা প্রবীণদের জন্য অতিরিক্ত গরমের ঝুঁকি আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

ইউরোমোমোর কর্মকর্তা ও ডেনমার্কের স্ট্যাটেন্স সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান চিকিৎসক লাসে ভেস্টারগার্ড বলেন, প্রচণ্ড গরমের কারণে হিট স্ট্রোক, হৃদ্‌যন্ত্রের জটিলতা এবং শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যায় অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তিনি জানান, বছরের এই সময়ে এত কম সময়ের মধ্যে এত বেশি মৃত্যুর ঘটনা স্বাভাবিক নয় এবং বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের।

প্রতিবেদনে দেশভিত্তিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা না হলেও ফ্রান্স ও বেলজিয়ামে তুলনামূলক বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে তাপপ্রবাহের কারণে প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রায় ৫০০ জনের প্রাণহানি ঘটছে।

ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল (ইসিডিসি) জানিয়েছে, ইউরোপে এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ মৃত্যুর নজির তৈরি হয়েছিল ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির সময়। সে সময় মে-জুন মাসে এক সপ্তাহে দেড় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছিল।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের তীব্র তাপপ্রবাহের পেছনে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট। তাদের সতর্কবার্তা, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ইউরোপে ভবিষ্যতে আরও ঘন ঘন, দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD