শিরোনাম :
ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে: এলজিআরডি মন্ত্রী পানি সংকট মোকাবিলায় প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অববাহিকাভিত্তিক সহযোগিতা জরুরি নেপালে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা, দেশজুড়ে বিক্ষোভ; কঠোর আইনের দাবি চীনের বাজার সম্পদভিত্তিক দেশগুলোর অর্থনীতিতে সহায়তা করছে: জরিপ যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রায় ২ লাখ ভিসা বাতিলের উদ্যোগ ফ্রাঙ্কফুর্টে বাঙালির মিলনমেলা: ফেনী অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণাঢ্য অভিষেক ইয়াসমিন হত্যা দিবস :ধর্ষণের পর হত্যায় ভয়াবহ ঊর্ধ্বগতি, সাত মাসেই নিহত ৫৮ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম নিলামে গান্ধীর ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি, দাম উঠল ২০ কোটির বেশি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সার্ক-বিমসটেককে সক্রিয় করার তাগিদ

ইরানে হামলায় জড়িত নয় ব্রিটেন: স্টারমারের স্পষ্ট বার্তা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্ত থাকার অভিযোগ নাকচ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। তিনি জানিয়েছেন, ব্রিটেন কেবলমাত্র প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দিচ্ছে এবং কোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে অংশ নিচ্ছে না।

স্টারমার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে সীমিতভাবে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা শুধুমাত্র আত্মরক্ষার প্রয়োজনে। এ প্রসঙ্গে তিনি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বলেন, সেই সময়ের সিদ্ধান্ত থেকে শিক্ষা নিয়েই বর্তমান অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের পাল্টা হামলায় পশ্চিম এশিয়াজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ও ব্রিটিশ ঘাঁটিও হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, এ অঞ্চলে অবস্থানরত প্রায় দুই লাখ ব্রিটিশ নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি আরও জানান, ইরানের সাম্প্রতিক হামলা এমন দেশগুলোর ওপরও হয়েছে, যারা সরাসরি সংঘাতে জড়িত নয়। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

স্টারমার বাহরিনসহ বিভিন্ন স্থানে ব্রিটিশ স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সামরিক বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

একইসঙ্গে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, এই সংকট নিরসনে সংলাপই সবচেয়ে কার্যকর পথ। তার মতে, সংঘাত বাড়ালে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা আরও হুমকির মুখে পড়বে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD