শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সুপরিকল্পিত, দীর্ঘমেয়াদি, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি। একই সঙ্গে দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশে আগত বিদেশি পর্যটকদের নির্বিঘ্ন চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা এবং এর বিকাশে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারে প্রয়োজন হলে সরকার প্রশিক্ষিত ট্যুরিস্ট পুলিশ ও নৌ পুলিশ নিয়োগ করবে। পর্যটন শিল্পের বিকাশে নিরাপত্তার পাশাপাশি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, মানসম্মত সেবা এবং উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির পাহাড়, বন, হ্রদ ও ঝরনার পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষাভাষী জাতিসত্তার বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে ইকো-ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক পর্যটন ও অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সরাসরি পর্যটন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। স্থানীয় মানুষ পর্যটন থেকে সুফল পেলে ওই অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় মানুষ তাদের নিজস্ব প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার সঙ্গে অভ্যস্ত। তাই পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় উদ্যোক্তাদের পর্যটন খাতে সম্পৃক্ত করা গেলে একদিকে যেমন স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে পর্যটনের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনাও টেকসই করা সম্ভব হবে।

প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পর্যটন সুবিধার আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপরও জোর দেন তিনি।

সভায় বিভিন্ন অংশীজন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, মানসম্মত সেবা এবং যাতায়াত ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের দাবি জানান।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমদা আখতার, এনডিসি এবং পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD