শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সমুদ্র অর্থনীতির টেকসই বিকাশে দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তি, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন শাংহাই ওশান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও অ্যাপ্লাইড ইকোনমিকস বিভাগের প্রধান ড. লিয়াও চ্যফাং।

সোমবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র অর্থনীতি এবং টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. লিয়াও চ্যফাং বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে সমুদ্র অর্থনীতির গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার, পরিবেশ সুরক্ষা এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিশ্চিত করা এখন গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।’

তিনি বলেন, ‘সমুদ্র অর্থনীতির বিকাশ শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিষয় নয়; এর সঙ্গে পরিবেশ, সামাজিক উন্নয়ন এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা সরাসরি যুক্ত। তাই সমুদ্রসম্পদের ব্যবহারে পরিবেশগত ভারসাম্য ও টেকসই উন্নয়নকে গুরুত্ব দিতে হবে।’

চীনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ড. লিয়াও বলেন, ‘সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণা, স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উপকূলীয় অঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কেবল প্রযুক্তি হস্তান্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হয় এবং সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়।’

চীনে উপকূলীয় ও সামুদ্রিক উন্নয়ন, গবেষণা এবং স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এসব অভিজ্ঞতা অন্য দেশগুলোর জন্যও কাজে লাগতে পারে। বিশেষ করে সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণ, উপকূলীয় উন্নয়ন এবং টেকসই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সমন্বয় করা জরুরি।’

ড. লিয়াও চ্যফাং বলেন, ‘সমুদ্র অর্থনীতির ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সরকার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময় বাড়ানো গেলে সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘চীন নিজেও বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিখছে এবং সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বকে গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশসহ বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে এ ধরনের অভিজ্ঞতা বিনিময় ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।’

সূত্র: নাহার, সাকিব, সিএমজি বাংলা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD