শিরোনাম :
হামবুর্গে বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলা বইমেলা ও বাংলা কার্নিভাল সমুদ্র! তোমাকে প্রয়োজন ইবোলা পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ডব্লিউএইচওর গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত, বাড়ছে ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব তেল আবিবে পৌঁছেছে মার্কিন অস্ত্রবাহী বিমান, নতুন সংঘাতের আশঙ্কা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর সাথে ইউএনডিপি প্রতিনিধির সাক্ষাৎ অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ রোধে সীমান্তে কঠোর নজরদারি : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু  পর্যটন হবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি: প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত গঠনমূলক কৌশলগত সম্পর্ক’ বিশ্বে স্থিতিশীলতা আনবে: বিশ্লেষকরা ত্রিপুরা ভাষার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ফিরে আসা’র উদ্বোধনী প্রদর্শনী

গঠনমূলক কৌশলগত সম্পর্ক’ বিশ্বে স্থিতিশীলতা আনবে: বিশ্লেষকরা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সদ্যসমাপ্ত বৈঠককে ‘তাত্পর্যপূর্ণ’ এবং ‘বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষজ্ঞরা।

তাঁরা বলছেন, এই বৈঠকে “চীন-যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক”-কে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অবস্থা হিসেবে নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক” বিশ্বের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে সহায়ক প্রমাণিত হবে।
মিয়ানমার স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের যুগ্ম মহাসচিব খিন মং য বলেন, “চীন-যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক” অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মূল বিষয় হলো, পারস্পরিক বিশ্বাস। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ক শুধু দুই দেশের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সংঘাত প্রশমিত করতে, সংঘর্ষ কমাতে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে।

সার্বিয়ার বেলগ্রেড “বেল্ট অ্যান্ড রোড” ইনস্টিটিউটের পরিচালক বোইয়ান লালিচ বলেন, “চীন-যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক” বিশ্বের অস্থির পরিস্থিতিতে আরও নিশ্চিততা নিয়ে আসবে। বিশেষ করে, অর্থনীতি, নতুন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে এটি স্থিতিশীলতা জোরদার করবে। এটি আমাদের দেশের জন্য এবং “বেল্ট অ্যান্ড রোড” সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জার্মান মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফ্রিডরিখ বলেন, “আমার মতে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক এমন একটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে, যা বিশ্বে দ্বৈত-পরাজয়ের পরিবর্তে পারস্পরিক লাভজনক পরিস্থিতি গড়ে তুলতে আগ্রহী মানুষদের উত্সাহিত করবে এবং বিশ্বে প্রগতিশীল শক্তিগুলোকেও আরও শক্তিশালী করবে।”

আলজেরিয়া-চীন মৈত্রী সমিতির চেয়ারম্যান ইসমাইল দেবেশ বলেন, “চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যেমন বলেছেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আজকের বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। তাই, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ ও সংলাপ জোরদার করা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য উপকারী। আমরা দেখছি, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বৈশ্বিক অভিন্ন সমৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন, টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিচ্ছেন, এবং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করছেন।”

সূত্র: শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD