যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক হামলা চালালে তার কঠোর ও দীর্ঘমেয়াদি জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান জানিয়েছে, কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে।
দুই মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল উত্তেজনার ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে এখনো স্বাভাবিক নৌ চলাচল শুরু হয়নি। বিশ্বে ব্যবহৃত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
গত এপ্রিল থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি থাকলেও ইরান এখনো তেল পরিবহন সীমিত রেখেছে। তেহরানের দাবি, তাদের জ্বালানি রপ্তানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ চলমান থাকায় এই পদক্ষেপ বহাল রাখা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস সূত্র জানিয়েছে, ইরানকে আলোচনায় আনতে সম্ভাব্য সামরিক কৌশল নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন করে ব্রিফ করা হতে পারে। বিষয়টি ঘিরে ওয়াশিংটনে কূটনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে আলোচনা জোরদার হয়েছে।
এদিকে তেহরানে বৃহস্পতিবার রাতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর জানিয়েছে, ড্রোন ও নজরদারি বিমান শনাক্ত করার পর প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো ব্যবস্থা নেয়।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স।