শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর পাঠানো হলো শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই: রোমে পরিবেশমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে চলমান আলোচনা ও জল্পনার প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, পে কমিশনের প্রতিবেদন কেবল গ্রহণ করা হয়েছে; এটি বাস্তবায়নের কোনো সিদ্ধান্ত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নেয়নি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা অসুস্থ থাকায় বৈঠক শেষে পে কমিশনসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আর মাত্র ১৫ দিনের মতো রয়েছে। এই সীমিত সময়ে এ সরকার নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কোনো পদক্ষেপ নেবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার।

বিদ্যুৎ উপদেষ্টা জানান, পে কমিশনের সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আর্থিক সংস্থানসহ সব দিক বিশ্লেষণ করে সুপারিশ দেবে, যার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে একটি পে কমিশনের দাবি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় কমিশন গঠন করা হয় এবং তারা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণ করা মানেই সুপারিশ বাস্তবায়ন নয়।

পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের সম্ভাব্য ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুপারিশগুলো হুবহু বাস্তবায়ন করা হলে ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা সর্বোচ্চ সম্ভাব্য হিসাব। বাস্তবে এ ধরনের বেতন কাঠামো সাধারণত ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হয়, যাতে সরকারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না পড়ে।

বর্তমান সরকারের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে বিদ্যুৎ উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য প্রস্তুতিমূলক কাজ করছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মাস্টারপ্ল্যান এবং মাল্টিমডাল পরিবহন খাতের পরিকল্পনা যেমন করা হয়েছে, পে কমিশনের বিষয়টিও তেমনি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ।

তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অস্থিরতা বা আন্দোলন যেন তৈরি না হয় এবং নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় কোনো অচলাবস্থা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

পে কমিশনের প্রতিবেদন ও মূল্যস্ফীতির সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, সরকার এখনো কোনো বাস্তবায়নমূলক সিদ্ধান্ত নেয়নি। ফলে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে পে কমিশনের কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে মন্ত্রীদের জন্য ৯ হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ সংক্রান্ত প্রশ্নে বিদ্যুৎ উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের কোনো প্রস্তাব তিনি দেখেননি এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটিতে এমন কোনো প্রস্তাব উপস্থাপনও করা হয়নি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD