শিরোনাম :
আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ চীন-আসিয়ান বৈঠকে চার দফা সহযোগিতা প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনা নয়, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের আগে সিজেপির কঠোর বার্তা কুয়েত ও কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শেষ হলো জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ১,১৩৭

দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের আহ্বান

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

চীন সফরের প্রাক্কালে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং ব্লু হাউসে সিএমজি’কে একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। জানা গেছে, এটি ব্লু হাউসে ফিরে আসার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল অফিস থেকে দেওয়া প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকার, যা থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের চীন-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার মাত্রাও অনুভব করা যায়।

প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং বলেছেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অস্থির, কিছু দেশের মধ্যে বিরোধ তীব্র হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, চীন-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কের উন্নয়ন দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীন ইতিহাস, অর্থনীতি, ভূ-রাজনীতি, রাজনীতি ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত। উত্তর-পূর্ব এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতা, পারস্পরিক সম্মান এবং সমৃদ্ধি চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয়ের জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, গত কিছু সময় ধরে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি বা বিরোধ রয়েছে, যা কিছুটা হলেও দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করেছে। বলা যায়, এই চীন সফরের উদ্দেশ্য হলো পূর্বে বিদ্যমান ভুল বোঝাবুঝি বা বিরোধ ন্যূনতম পর্যায়ে কমানো বা দূর করা, চীন-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে উন্নীত করা এবং বিকশিত করা, যাতে দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন একে অপরের উন্নয়নে সহায়ক সম্পর্ক দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

এই চীন সফরে, প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান উদ্যোগগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রায় ২০০ সদস্যের একটি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উপকারী অনেক উপাদান রয়েছে। পূর্বের চীন-দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নত প্রযুক্তি, মূলধন এবং চীনের শ্রমশক্তির সমন্বয়ে গঠিত উল্লম্ব কাঠামোর সহযোগিতা ছিল। তবে বর্তমানে চীন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের অসামান্য নেতৃত্বে অর্থনীতির ব্যাপক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অর্জন করেছে, এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও মূলধনের দিক থেকে দক্ষিণ কোরিয়াকে ছাড়িয়ে গেছে বা এগিয়ে আছে।

তাই চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকেও একটি সমান্তরাল সহযোগিতা কাঠামো ও সমতাভিত্তিক অংশীদারত্বের সম্পর্কে পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যেমনটি আগে প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উদাহরণে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উচ্চ-প্রযুক্তি শিল্পের মতো ক্ষেত্রে নতুন সমতাভিত্তিক সহযোগিতা সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে উভয়পক্ষের উন্নয়নের জন্য উপযোগী সহযোগিতামূলক অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।

প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং বলেছেন, বর্তমানে চীন নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে, বিশেষ করে সৌর ফটোভোলটাইক ক্ষেত্রে বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। চীন নতুন প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে জাতীয় শক্তি কেন্দ্রীভূত করতে এবং শিল্প উন্নয়নে নেতৃত্ব দিতে অত্যন্ত সক্ষম। তিনি আশা করেন যে দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের সহযোগিতা দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বিশাল ‘সুযোগের দরজা’ খুলে দেবে।
তিনি বলেন, উত্তর-পূর্ব এশিয়ায়, তাইওয়ান প্রণালী সংক্রান্ত সমস্যাসহ আশেপাশের বিষয়গুলোতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ কোরিয়া যথারীতি এক চীন নীতি সম্মান করার অবস্থান অব্যাহত রাখবে।

সূত্র: স্বর্ণা-হাশিম-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD