মোঃ নজরুল ইসলাম হরিনাকুন্ড থেকে ফিরে এসে: হরিনাকুন্ডু উপজেলার জোড়াদহ গ্রামে তাইজাল হোসেনের ছেলে ফারুক হোসেন ঐ গ্রামের ৩৮ বছর বয়সী একবুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে ফুসলিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে। দীর্ঘদিন ধর্ষণের কারনে ঐ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ৬ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়লে তাকে মেশিনারি ব্যবসায়ী লম্পট ফারুক উপজেলার তাইউদ্দিন মোড়ের কুসুমের ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটায় বলে প্রতিবন্ধী নারী এলাকাবাসীদের জানায়।
এই ঘটনা এলাকায় মানুষের মাঝে জানাজানি হলে লম্পট ফারুক টাকার মাধ্যমে প্রভাবশালীদের দ্বারা ভুক্তভুগী পরিবারের হুমকি ধুমকি দিয়ে ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।
প্রতিবন্ধী নারীর সাথে সাংবাদিকরা কথা বললে সে জানায় যে ফারুকের দোকানে তার ছেলে কাজ করার সুবাদে ফারুক দীর্ঘ দিন আসা যাওয়া করে। শালী বলে ডেকে তার সাথে অবৈধ মেলা মেশা করতে থাকে। এই মেলা মেশার ফলে সে ৬ মাসের সন্তান সম্ভব্য হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় উপজেলার তাইউদ্দিন মোড়ের কুসুমের ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটায়। তবে সন্তান ছেলে না মেয়ে ছিল তা সে বলতে পারে না। তার এই ঘটনা কাউকে বললে সমস্যা হবে বলে তাকে জানিয়ে দেয় লম্পট ফারুক।
এই অবৈধ গর্ভপাত প্রসঙ্গে হরিনাকুন্ডু উপজেলার আইজুদ্দিন মোড়ে আনোয়ারা প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক কুসুমের কাছে জানতে চাইলে সে জানায় একজন নারী ব্লিডিং জনিত কারনে এসেছিল তাকে ডিএসি করান হয়েছে। রোগীর অভিভাবক হিসাবে ফারুক ছিল কিনা? জানতে চাইলে সে বলে যে সম্ভবত ফারুক ছিল। তবে রেজিস্টার খাতায় রোগীর নাম নেই। নার্সরা ভর্তি করেছে।
প্রতিবন্ধী নারীর ভাই জানায় যে গত ২৫ সে জানুয়ারি ফারুক তার বোনকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে । তাছাড়া দীর্ঘ দিন ধর্ষণ করে আসছে। এই অবস্থায় অন্তঃসত্তা হয়ে পড়লে গত ২৩ সে জন তাইউদ্দিন মোড়ের কুসুমের ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটায়।
এই প্রসঙ্গে হরিনাকুন্ডু থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান বলে যে ঘটনা তা জানার পরে ফারুক কে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।