মোবাইলের ক্ষুদে বার্তায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী উপজেলার গাতীপাড়া গ্রামে এই ভ্রাম্যমাণ আদলত পরিচালনা করে বর-কনে উভয় পক্ষের কাছ থেকে সর্ব মোট ২১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম জানান, উপজেলার গাতীপাড়া গ্রামে মোবাইলের ক্ষুদে বার্তায় বৃহস্পতিবার ২ টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদলত পরিচালনা করা হয়।এসময় ওই গ্রামের শাহিন মোড়লের ১৫ বছর বয়সী মেয়ে ঐশি আক্তারের সাথে একই গ্রামের নুর ইসলামের ২৫ বছর বয়সী ছেলে সুজনের বাল্যবিবাহ দিচ্ছে দেখে মেয়ের বাবাকে বাল্যবিবাহ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেন যে, তারা কোর্ট থেকে এভিডেভিডের মাধ্যমে ছেলে-মেয়ের বিবাহ সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু তারা জানেননা যে, এভিডেভিড কোন বিয়ে নয়, শুধু হলফনা এবং কেউ যদি এভিডেভিডকে বিয়ে মনে করে এক সঙ্গে বসবাস করে তা ব্যভিচার।
তাই বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী কন্যার বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় সে একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক। উপর্যুক্ত অপরাধের কারণে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুযায়ী বাল্যবিবাহকারী বর সুজন হোসেনকে ১১ হাজার এবং বাল্যবিবাহ সংশ্লিষ্ট কনের পিতা শাহিন মোড়লকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সাথে বাল্যবিবাহ ভেঙ্গে দেওয়া হয়।
এসময় শার্শা থানার এস আই আবুল হাসানসহ সূধীজনেরা উপস্হিত ছিলেন।