বিশেষ প্রতিনিধিঃ খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি থেকে ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী মুরাদ (২৮) আটক হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে নেপথ্যের গডফাদাররা। যা পুলিশের আধিকতর তদন্তে বেরিয়ে আসতে পারে মুল হোতাদের সন্ধান।
গত ৪ডিসেম্বর কপিলমুনির উৎসব হোটেলের পার্শ্ব থেকে ৫ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক হয় মাদক ব্যবসায়ী মুরাদ। এ সময় তার স্বীকারোক্তি মতে আরোও ৩৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ কিন্তু মামলার আরজি বর্ণনানুযায়ী অসঙ্গতি হওয়ায় হতবাক হন স্থানীয়রা। এদিকে গত ৩ সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও নেপথ্যের গডফাদারদের আটক করতে পারেনি থানা পুলিশ।
জানাগেছে, মাদক বিক্রেতা মুরাদ ১নং হরিঢালী ইউপি সদস্য রাজিব গোলদারের ছোট ভাই ও সাবেক ইউপি মেম্বর রশিদ গোলদারের পুত্র। এ ব্যাপারে পাইকগাছা থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ। যার মামলা নং ৬, ধারা ২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ১৪(ক)।
উল্লেখ্য ঘটনার দিন পাইকগাছা থানার জিডি নং ১৫৬ তাং ৪/১২/১৯ মুলে এস আই অনিষ মন্ডল অন্যান্য অফিসার সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে উপজেলার মাহমুদকাটি বাজারে ডিউটি করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে পার্শ্ববর্তী কপিলমুনি বাজারের ধান্যচত্ত্বরে অবস্থিত উৎসব রেষ্টুরেন্টের পার্শ্ব থেকে মাদক ব্যবসায়ী মুরাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ সময় তার হাতে থাকা লাল রঙের একটি শপিং ব্যাগের ভিতরে রাখা ৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় মাদক আইনে মামলা করে পুলিশ। যার নং ৬, তাং ০৪/১২/১৯।
এই মাদক ব্যবসায় জড়িত নেপথ্যের গডফাদার রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এলাকাবাসীর দাবী আটক মুরাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসবে নেপথ্যে থাকা রাঘব বোয়ালদের নাম। এ ব্যাপারে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে হরিঢালী ইউনিয়ন আ’লীগের আহবায়ক শেখ বেনজির আহমেদ বাচ্চু বলেন, ঐদিন মুরাদ সহ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। তিনি বলেন, মামলায় ১ জনকে আসামী করা হয়েছে এবং ৫ বোতল উল্লেখ করলেও তার স্বীকারোক্তিতে উদ্ধার হয় ৪০ বোতল। বিষয়টি বুঝলাম না কি হলো। তিনি আরো বলেন, মাদক ব্যবসায়ী মুরাদ আটক হলেও নেপথ্যের গডফাদার কেউ ধরা পড়েনি। তিনি গডফাদারদের ব্যাপারে প্রশাসনের অধিকতর তদন্ত পুর্বক ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।