বরিশাল প্রতিনিধি: মরা গরুর মাংস বিক্রি করে জনতার হাতে ধরা পড়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত কসাইকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে।
১৮ মে শুক্রবার বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এমন ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রমজানের প্রথম দিনে মরা গরুর মাংস বিক্রি করার অভিযোগে ঘটনাস্থলে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল ঘরামী নামের এক কসাইকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় মরা গরুর ৫২ কেজি মাংস হাতেনাতে জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সোবহান মিয়া তার মায়ের নামে মিলাদ পড়ানো ও প্রথম রমজানের দিন এতিমদের ইফতার করানোর জন্য ১৮ মে শুক্রবার সকালে পয়সারহাট-গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বসা পয়সরহাট বাজারে জুয়েল কসাইয়ের কাছে গরুর মাংস কিনতে যান। এসময় মাংসের রঙ দেখে তার সন্দেহ হয়। মরা গুরুর মাংস বুঝতে পারার পর বিষয়টি সোবহান মিয়াকে চেপে যেতে বলে এবং এ সময় জুয়েল কসাই অন্য একটি গরু থেকে তাকে মাংস কেটে দেন।
বিষয়টি ইউপি সদস্য সোবহানসহ অন্যান্য ক্রেতাদের মধ্যে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন যে, জুয়েল ভোর রাতে দুটি গরু জবাই করলেও এর মধ্যে একটি গরু মৃত ছিল। স্থানীয়রা কসাই জুয়েলকে আটক করে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেলকে জানায়। পরে তিনি দুপুরে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরা গরুর ৫২ কেজি মাংস জব্দ করে কেরোসিন দিয়ে তা বিনষ্ট করেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কসাই জুয়েলকে ১০দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানার দণ্ড প্রদান করেন। জরিমানার অর্থ প্রদান করে মুক্তি পান জুয়েল।
দণ্ডপ্রাপ্ত জুয়েল কসাই (৩০) একই উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের নিমারপাড় গ্রামের সেকেন্দার ঘরামীর ছেলে।