শিরোনাম :
সংস্কার ও উন্নয়ন উদ্যোগের দীর্ঘ তালিকা তুলে ধরে সরকারের অগ্রগতির চিত্র ভারত থেকে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত, এপ্রিলে ১৩ হাজার টন ডিজেল দেশে প্রবেশ মার্কিন প্রস্তাবে সাড়া নয়, শর্ত না মানলে আলোচনায় নয় গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি প্রাণহানি, উদ্বেগে জাতিসংঘ  নিম্ন-কার্বন প্রযুক্তিতে গার্ডেন এক্সপোর বিশেষ গুরুত্ব চীনা ভাষার প্রসারে বৈশ্বিক উদ্যোগ চার দেশের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় সি’র কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত সুরক্ষা ও বিজিবির অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দিনাজপুরের বিরলে নতুন বিওপি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সুষম উন্নয়নে সমতলের সাথে সমভাবে এগোবে পাহাড়:পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি প্রাণহানি, উদ্বেগে জাতিসংঘ 

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

গাজা উপত্যকায় দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে নারী ও মেয়ে শিশুদের প্রাণহানির হার উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন। সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে সহিংসতা থামেনি। ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে, যা মানবিক সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত সংঘাতে ৩৮ হাজারেরও বেশি নারী ও মেয়ে শিশু নিহত হয়েছেন। ইউএন উইমেনের মানবিক শাখার প্রধান সোফিয়া ক্যালটর্প বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে নারীদের প্রাণহানির সংখ্যা অতীতের তুলনায় অনেক বেশি, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে স্পষ্ট করে। তবে যুদ্ধবিরতির পর সুনির্দিষ্ট লিঙ্গভিত্তিক তথ্য সংগ্রহে সীমাবদ্ধতা থাকায় সাম্প্রতিক সময়ের নারী ও শিশুদের মৃত্যুর সঠিক হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাসে ৭৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে চারজন ইসরায়েলি সেনার মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন নিয়ে ইসরায়েল ও হামাস একে অপরকে দায়ী করছে। এদিকে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, গাজায় শিশুদের হতাহত হওয়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। গত ছয় মাসে অন্তত ২১৪ জন শিশু নিহত হয়েছে। পাশাপাশি ইউএন উইমেন জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে প্রায় ১০ লাখ নারী ও কন্যাশিশু বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবিক সংকটে পড়েছে।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে, রয়টার্স।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD