শিরোনাম :
নিউইয়র্কে ‘উইমেন লিডার্স’ প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান বহর আধুনিকায়নে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন চুক্তি, কিনবে ১১ উড়োজাহাজ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম জয় এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যু: মামলায় আসামি মামা কারাগারে কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কারিগরি সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় সভা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লবায়ু সংকট মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর কার্যকর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী চীন-মার্কিন সুসম্পর্ক বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে: জরিপ খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় কৃষকদের আয় ও উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

পলাশবাড়ীতে ‌‘জমি আছে ঘর নাই’ প্রকল্পের অনিয়মের সত্যতা মিলছে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯

আশরাফুল ইসলাম,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ী উপজেলার ‘জমি আছে ঘর নাই’ প্রকল্পের অনিয়মের চিত্র আর গল্প বা কাহিনী নয় বাস্তবতা। প্রকল্পের শুরুতেই উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কাছে জাতীয় পরিচয় পত্র, ছবি ও টাকা নেয় একটি চক্র। এরপর গত অর্থ বছরে উপজেলায় জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পে প্রতিটি ঘর ১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১৮৪ টি ঘরের বরাদ্দ পাওয়া যায়। বর্তমানে এ প্রকল্পে প্রাপ্ত বরাদ্দের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের কাজ শুরু আগেই যদিও এসব প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করে উপজেলা প্রশাসন। এসব অর্থ উত্তোলনেও বিষয়ে নানা জল্পনা কল্পনা শুরু হলেও অবশেষে কিছু কিছু প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও এখনো অনেক গুলো ঘর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। যদি ব্যয়ের অর্থের অর্ধেক অর্থ ব্যবহারের মাধ্যমে দায়সারা ঘর নির্মাণ করা হলেও এ অর্থের বাকি অংশ বিশেষ কৌশলে পকেটস্থ করছে উপজেলা প্রশাসন মনোনীত একটি চক্র।

এছাড়াও দুর্যোগ সহনীয় ঘরের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় হতে প্রতিটি ঘর ২ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা করে ব্যয়ে ৩৯ টি ঘর বরাদ্দ পাওয়া যায়। এসব প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে বলে উপজেলা ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অফিস সূত্রে জানা যায় ।

উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের মাঝে বন্টন করা হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়। এর মধ্যে উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের ১,২, ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্যের স্বামীর নামে একটি এক লক্ষ টাকার ঘর প্রদান করা হয়। এঘর নির্মাণের পর এসব ঘর প্রদানে যে অনিয়ম দুর্নীতি করা হয়েছে সেটির প্রমাণ আংশিক হলেও মিলছে। উপজেলার বরাদ্দ প্রাপ্ত নির্মাণাধীন ঘর গুলো নিম্ন মানের সামগ্রী যেমন ব্যবহার করা হয়েছে তেমনি ঘর পাওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তিরা বঞ্চিতও হয়েছে। উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নে ১২ টি পরিবার কে প্রতিটি এক লক্ষ টাকা করে ব্যয়ে ১২ টি এবং ৪ টি পরিবারকে প্রতিটি ২ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪ টি বাড়ী প্রদান করা হয়েছে।

ইউপি সদস্য পেলো জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পের ঘর এসংক্রান্ত খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাউল হোসেন ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম সরকার ছোট বাবা আজ ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে উক্ত ইউপি সদস্যের স্বামীর নামে প্রাপ্ত ঘর ভেঙ্গে একই গ্রামের অন্য একটি পরিবার কে দেওয়া হয়। সে পরিবারটিও স্বাবলম্বি বটে।

উল্লেখ্য, উপজেলায় বরাদ্দ প্রাপ্ত এসব ঘর অসহায় দরিদ্র মানুষের স্থলে সুপারিশের ভিক্তিতে স্বাবলম্বী পরিবার গুলো পেয়েছেন ও ঘর নির্মাণে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবী সচেতন মানুষের।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD