শিরোনাম :
৪০তম ফোবানায় নওশীনের কণ্ঠে প্রবাসে বাংলাদেশের সুর অনুবাদস্বত্ব, মেধাস্বত্ব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় ব্যস্ত সময় কাটাবেন পাঞ্জেরীর এমডি ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহ, সতর্কতার আওতায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ চীন-রাশিয়া বন্ধুত্ব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় সি চিন পিংয়ের সফরে চীন-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কে নতুন গতি রোহিঙ্গাদের গ্রাম ধ্বংস করে সামরিক ঘাঁটি ও বন্দিশিবির গড়ছে আরাকান আর্মি: গার্ডিয়ান সম্পাদকীয় : সবার জন্য বাসযোগ্য বসতি গড়াই হোক অঙ্গীকার সীমিত আয়ের মানুষের মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী বড়পুকুরিয়ায় উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ১৭ কোটি টন কয়লা উত্তোলনে সরকারের পরিকল্পনা সবার জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত আবাসন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত: রাষ্ট্রপতি

খুলনায় ব্যাংক কর্মকর্তা সুলতানাকে ধর্ষণ ও জোড়া হত্যায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯

খুলনা প্রতিনিধিঃ খুলনায় এক্সিম ব্যাংক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানাকে গণধর্ষণ ও হত্যা এবং তার বাবা ইলিয়াছ চৌধুরীকে হত্যার আলাদা দুই মামলায় ৫ আসামিকে মৃত্যুদন্ড ও প্রত্যেককে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়েছে। একই সাথে লাশ গুম করার অভিযোগে প্রত্যেককে ৭ বছর করে কারাদ- ও আরও ৫ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়। তবে আসামিদের মৃত্যুদ- কার্যকর হলে এই সাজা কার্যকর হবে না।
মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মোহা. মহিদুজ্জামান এই রায় প্রদান করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী ও বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, খুলনার সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

লোমহর্ষক ঘটনায় দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- লবণচরা থানাধীন বুড়ো মৌলভীর দরগা রোডের বাসিন্দা শেখ আব্দুল জলিলের ছেলে সাইফুল ইসলাম পিটিল (৩০), তার ভাই শরিফুল ইসলাম (২৭), আবুল কালামের ছেলে মো. লিটন (২৮), অহিদুল ইসলামের ছেলে আবু সাইদ (২৫) ও মৃত সেকেন্দারের ছেলে আজিজুর রহমান পলাশ (২৬)। রায় ঘোষণার সময় পলাতক শরিফুল ইসলাম বাদে অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর লবণচরা থানার বুড়োমৌলভীর দরগাপাড়া রোডে ধর্ষণ ও জোড়া হত্যাকান্ডের এ ঘটনা ঘটে। আসামিরা বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে প্রথমে ইলিয়াছ চৌধুরীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা ও পরে পারভীন সুলতানাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে। তারা বাড়ির সেপটিক ট্যাংকির মধ্যে লাশ দু’টি লুকিয়ে রাখে। এ ঘটনায় দু’টি আলাদা মামলা হয়।
২০১৬ সালের ২৪ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। মামলায় ৩৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে লোমহর্ষক মামলায় আসামিদের ফাঁসির রায় হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা। পারভীন সুলতানার ভাই রেজাউল আলম চৌধুরী বলেন, এ বিচারের রায়ে আমরা খুশি হয়েছি। সঠিক রায় পেয়েছি। তিনি এই রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান।
অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম বলেন, মামলার বিচারক মোহা. মহিদুজ্জামান রায়ে খুটিনাটি বিষয়গুলোও উল্লেখ করেছেন। এজলাসে তিনি প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে মামলা পরিচালনার বিভিন্ন দিক, যুক্তিতর্ক ও রায়ের বিবরণের ৬৫ পৃষ্ঠা পড়েছেন। আসামিরা উচ্চ আদালতে আপীল করলেও একই সাজা বহাল থাকবে বলে তিনি দাবি করেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD