একেএম বাবু রাজশাহী প্রতিনিধি:নওগাঁ মান্দা উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে আবুল ইয়াকুব ওরফে বাঁকির বিরুদ্ধে আদিবাসিদের জমি জাল দলিল করা, টাকা আত্মসাৎ করা, কোটের মহুরী হয়ে নিজেকে উকিল বলে প্রচার করা সহ নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।এসবের কারনে চৌবাড়িয়াতে আতংকের আরেক নাম দালাল বাঁকি বলে তাকে সবাই জানে?
এদিকে প্রাপ্ত সংবাদে জানা গেছে চৌবাড়িয়ার আদিবাসিদেরকে বিভিন্নভাবে ভুল ভাল বুঝিয়ে, জাল দলিল করে প্রচুর অর্থ সম্পদ গড়েছেন।এবং অবৈধ ভাবে টাকা উপার্জন করে রাজশাহী শহরে তিনি আলিশান বাড়িও কিনেছেন। স্থানীয় মতামত ও ভুক্তভোগী সূত্রে আব্দুর রাজ্জাক জার্মান বাংলা ২৪কে বলেন অনেক কষ্ট করে সাড়ে ১৯ শতক জমি কিনে খাজনা খারিজ করার পরও সে জমি এখনো দখল পাইনি এর মুলে রয়েছে ইয়াকুব।তিনি বলেন ইয়াকুব জমি কিনিয়ে দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আমাকে অসহায় বানিয়েছে? তাই আব্দুর রাজ্জাক তিনি দূর্নীতি দমন দুদক এবং প্রশাসনের কাছে সার্বিক সহযোগিতা ও বিচার চেয়েছেন।
এ বিষয়ে কামারগাঁ ইউপির ওয়ার্ড মেম্বার আলাউদ্দিন ও যুবলীগ নেতা সালামের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন চেয়ারম্যানের যোগসাজশে মালশিরা আদিবাসি পাড়াতে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করছে ইয়াকুব। এ খবর আদিবাসি পাড়াতে ছড়িয়ে পড়লে তাদের মাঝে ব্যপক উত্তেজনা বিরাজ করছে? তানোর মহিলা কলেজের ছাত্রী আদিবাসি ভুক্তভোগী বলেন কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তিনি বিভিন্ন ভাবে ভূয়া ওয়ারিয়েশন সার্টিফিকেট, ভুয়া আদিবাসি ওয়ারিশ সাজিয়ে জমি দখল করার নামে ভুয়া আদিবাসিকে নিজের ঘনিষ্ঠ বাড়িতে রেখে ইয়াকুবকে সহযোগিতা করার অভিযোগ তুলেছেন। যার কারনে এ অপরাধী বেশি সাহস পাচ্ছে? আর ভুক্তভোগীরা দিন দিন বিপদে পড়ছে?অপরদিকে আদিবাসি আরেক নারী বলেন বাবা মারা যাওয়ার পর আমরা ভাই বোন সবাই মিলে জমি ভাগ বাটোয়ারা করার জন্য রাজশাহী কোর্ট মহুরী ইয়াকুব বাঁকিকে ৯৫ নব্বই হাজার টাকা দিয়েছি?
তিনি বলেন সে আমাদের টাকাও নিয়েছে আবার জমিও জাল করেছে? আমরা অসহায় হওয়ায় ইয়াকুব বাঁকির বিরুদ্ধে কোন কিছু করতে পারছিনা?তিনি বলেন বর্তমানে আমাদেরকে ইয়াকুব নিয়মিত ভয় ভিতি দিয়ে যাচ্ছে।তাই ইয়াকুবের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (এমপি) ওমর ফারুক চৌধুরীর কাছে বিচারের জন্য সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন।এদিকে আদিবাসিদের নেতা তানোর উপজেলা সভাপতি ও মুন্ডুমালা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামিল মার্ডি বলেন সরকার এবং দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদকের) কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানিয়েছেন।