জার্মান-বাংলা ডেস্ক: যেন মধ্যযুগের বর্বরতাকেও হার মানায়।বিয়ের চার দিনের মাথায় গত ১৭ জুন গভীর রাতে যৌতুকের টাকা নিয়ে বাকবিতণ্ডার সময় গামছা ও ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধরের এক পর্যায়ে রুনার যৌনাঙ্গে কাঁচি ঢুকিয়ে তা কেটে ফেলে। এতে রুনা অজ্ঞান হয়ে পড়লে ভোরে রক্তাক্ত অবস্থায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা দিয়ে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। রক্তাক্ত রুনাকে বাবার বাড়ির লোকজন প্রথমে জকিগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ও পরে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নির্যাতিতা রুনার বাবা দিনমজুর আব্দুল গফুর মেয়ে নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে বলেন, মানুষের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। আশা ছিল বিয়ের পর সুখে শান্তিতে স্বামীর বাড়িতে থাকবে। কিন্তু মেয়ের বিয়ের চারদিন পর তাকে নিয়ে হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরছি।
এ ঘটনায় জকিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত (ওসি) হাবিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, জঘন্য এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে।