হারুন-অর-রশিদ (২২) নামের এক যুবককে হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন সোমবার এই রায় ঘোষণা করেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইলিয়াছ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত যুবকের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা উপজেলায়।
আইনজীবী এম ইলিয়াছ খান বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে খুন হন হারুন-অর-রশিদ। ২০০৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর রাতে পাইকগাছার খ্রিষ্টানপাড়া এলাকা থেকে হারুন নিখোঁজ হন। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ওই এলাকায় গান শুনতে গিয়েছিলেন। পরে ২০০৭ সালের ১০ জুন সকালে পাইকগাছার উত্তরপাড়ায় একটি স্কুলের সেফটিক ট্যাংকে হারুনের গলিত লাশ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় হারুনের মা রিজিয়া বেগম থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই বছরের ২৭ জুন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পাইকগাছা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক আইবুল হক আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। মামলায় ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জন সাক্ষ্য দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন পাইকগাছা উপজেলার মিজানুর রহমান, আমির সরদার, মিজানুর রহমান ওরফে চ্যাংরা মিজান, হাসান গাজী ও লুৎফর শেখ। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন