নিজস্ব প্রতিবেদক:
অদ্য ৮ মে ইং তারিখ বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানা এলাকায় চলন্ত বাসে তরুণী নার্সকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনার শিকার নার্স ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। ঘটনা সূত্রে জানা যায় যে, ঘটনার শিকার উক্ত নার্স গত ৬ মে তারিখ সোমবার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদীতে যাবার উদ্দেশ্যে ঢাকার এয়ারপোর্ট কাউন্টার থেকে স্বর্ণলতা পরিবহনে উঠেন। স্বর্ণলতা পরিবহন মহাখালী থেকে কটিয়াদী হয়ে বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর বাসষ্ট্যান্ড পর্যন্ত চলাচল করে। বাসে উঠার পর ঘটনার শিকার নার্সের সাথে তার বাবা এবং ভাইদের মোবাইল ফোনে বেশ কয়েক বার কথা হয়। রাত ৮টার দিকে বাসটি কটিয়াদী বাসষ্ট্যান্ডে পৌঁছালে বাসের সব যাত্রী নেমে গেলে গাড়ির চালক ও হেল্পার কৌশলে সেখান থেকে তাদের সঙ্গী ৪-৫ জনকে যাত্রী বেশে গাড়িতে তোলে। কটিয়াদী বাসষ্ট্যান্ড পার হয়ে ২ কিলোমিটার দূরে ভৈরব – কিশোরগঞ্জ আলিক মহাসড়কের গজারিয়া জামতলী নামক নির্জন জায়গায় ঘটনার শিকার নার্সকে চলন্তবাসে ধর্ষণ ও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করা হয় বলে স্বজনরা ধারণা করছেন। ঘটনার শিকার নার্সের শরীরের বিভিন্ন স্হানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ চলন্তবাসে তরুণী নার্সকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সাথে জড়িতদের যথাযথ শাস্তির লক্ষ্যে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহন এবং ঘটনার শিকার নার্সের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি জানাচ্ছে। এ ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের নিকট আবেদন জানাচ্ছে। পাশাপাশি সারাদেশে সংঘটিত নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানাচ্ছে।